দলে হেরে যাওয়ার পরও তিনি বারবার বলেছেন ছেড়ে যাবেন না। সমাজমাধ্যমে একের পর এক পুরনো দিনের ছবি পোস্ট করে স্মৃতির সরণিতে হেঁটেছেন তিনি। মনে করিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো দিনের সঙ্গী তিনি। গত পাঁচ বছরে দলে মদন মিত্রের গুরুত্ব নিয়ে অনেক চর্চা হয়েছে। একসময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের মন্ত্রী হিসাবে ছিলেন মদন মিত্র, কিন্তু পরে আর কোনও দপ্তর পাননি। এমনকী সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও গুরুত্ব সীমিত হয়েছিল অনেকটাই। তবে হাসিমুখে কামারহাটি সামলে গিয়েছেন তিনি। জয়ীও হয়েছেন। সেই কারণেই কি এবার ‘পুরস্কার’ দিল দল? নাকি খারাপ সময়ে হাল ধরতে মদনের উপরেই ভরসা রাখলেন দলনেত্রী।
এই বিষয়ে আরও খবর
দলের তরফে সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হল কামারহাটির বিধায়ককে। দমদম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি হলেন মদন। এতদিন তৃণমূলের দমদম সাংগঠনিক জেলা বলে পৃথক কিছুর অস্তিত্ব ছিল না। এবার সেখানে পৃথক সাংগঠনিক জেলা তৈরি হল, যার দায়িত্ব পেলেন মদন মিত্র। মনে করা হচ্ছে, কৌশলগতভাবেই এই জেলাকে আলাদা করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে দলের তৃণমূলস্তরে জোর দেওয়া যায়। শুধু তাই নয়, কামারহাটি এলাকায় তৃণমূলস্তর পর্যন্ত তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। সেটাও দলের তরফে কাজে লাগানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
দলের তরফে সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হল কামারহাটির বিধায়ককে। দমদম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি হলেন মদন। এতদিন তৃণমূলের দমদম সাংগঠনিক জেলা বলে পৃথক কিছুর অস্তিত্ব ছিল না। এবার সেখানে পৃথক সাংগঠনিক জেলা তৈরি হল, যার দায়িত্ব পেলেন মদন মিত্র।

তাৎপর্যপূর্ণ এর আগে ছিল বারাকপুর-দমদম সাংগঠনিক জেলা। এরই মধ্যে দুই লোকসভা কেন্দ্র ছিল দমদম এবং বারাকপুর। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে আলাদাভাবে কর্মীদের জোর বাড়াতে চাইছে তৃণমূল। উল্লেখ্য, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে দল কার্যত ধরাশায়ী হলেও কামারহাটি ধরে রেখেছেন মদন মিত্র। একসময় পরিবহণ, ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। ২০১১ সালে রাজ্যে পরিবর্তনের সময় কামারহাটি থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। পরে ২০১৬ সালে তিনি হেরে যান। সেই সময় সারদা-মামলায় জেল হেফাজতে ছিলেন মদন। পরে ২০২১ সালে ফের এই কেন্দ্র থেকে জেতেন। আর এবারও উত্তর ২৪ পরগনায় বিজেপির ব্যাপক সাফল্যেও ঘাসফুল ফুটিয়েছেন মদন। এরপরেই দলের তরফে এহেন দায়িত্ব চাপল তাঁর কাঁধে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
