আত্মগোপনের রাজনীতিতে ইতি! পাহাড় সমস্যা সমাধানে কেন্দ্র-রাজ্যের উদ্যোগে খুশি গুরুং

স্বাস্থ্য/HEALTH
Spread the love


গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে এবার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দলের সুপ্রিমো বিমল গুরুং রবিবার দার্জিলিংয়ে এক সভায় একথা জানান। ৭ অক্টোবর গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান হবে লেবংয়ে। সেখানেই মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে শনিবার সুকনায় পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে যে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হয়, তাতে তিনি খুশি বলেই জানিয়েছেন বিমল গুরুং।

গুরুং বলেন, “আমরা ভালো কিছু গড়ে তোলার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন জন্মের আগেই সেটা নষ্ট না হয়ে যায়।”

আরও পড়ুন:

এদিন বিমল গুরুং বলেন, “প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জুলাই মাসে কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি এবং দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি বৈঠক করেন। ওই সময় মুখ্যমন্ত্রীকে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।” গুরুং জানান, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী কার্শিয়াং সফর করলেও দার্জিলিং শহরে এখনও যাননি। দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি দার্জিলিংয়ে আসবেন। অন্যদিকে দলীয় সভা এবং ঘনিষ্ঠ মহলে গুরুং জানিয়েছেন, তিনি আর আত্মগোপনের রাজনীতি করতে চান না। তার কথায়, ‘আর জঙ্গলে যাব না।’

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের গোর্খাল্যান্ড আন্দোলনের সময় রাজ্য সরকারের কঠোর পদক্ষেপের মুখে পড়ে তাঁকে আত্মগোপন করতে ‘জঙ্গলে’ যেতে হয়েছিল। সেই পথে না গিয়ে তিনি দার্জিলিং, তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চান। দীর্ঘদিন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকার পর ২০২০ সালে গুরুং প্রকাশ্যে আসেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন জানান। যদিও এখন তিনি মনে করছেন, কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি থাকায় গোর্খা সম্প্রদায়ের জন্য রাজনৈতিক পরিস্থিতি সঠিক পথে এগোচ্ছে। গুরুং বলেন, “আমরা ভালো কিছু গড়ে তোলার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যেন জন্মের আগেই সেটা নষ্ট না হয়ে যায়।” শনিবার সুকনায় পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, অমিত শাহ, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক নিয়ে বেশ খুশি গুরুং। দেশের সাংবিধানিক পরিকাঠামোর মধ্যেই যে পাহাড়ের রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান চাইছেন সেটা রবিবার দার্জিলিংয়ে এক সভায় স্পষ্ট বুঝিয়ে দেন।

বিমল গুরুংয়ের নেতৃত্বে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ২০০৭ সালে গঠিত হয়। ২০০৯ সাল থেকে দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপিকে সমর্থন জানিয়ে আসছে দল। গুরুং জানিয়েছেন, অত্যন্ত ধুমধাম করে তাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হবে। তিনি মনে করেন, বিজেপির প্রতি দলের দীর্ঘদিনের সমর্থনের জন্য পাহাড়ে শান্তি এবং উন্নয়নের পথ খুলেছে। দীর্ঘদিন থেকে ঝুলে থাকা রাজনৈতিক সমস্যাও সমাধানের পথে এগোচ্ছে। 

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *