সেই ২০০৯ সালে স্বদেশীয় দুই টেনিস তারকার লড়াই দেখেছিল উইম্বলডন। সেবার দিদি ভেনাসকে হারিয়ে খেতাব জিতেছিলেন সেরেনা। এবার ফের দুই স্বদেশীয় লড়াই। চেক রিপাবলিকের ক্যারোলিনা মুচোভা ও লিন্ডা মুসকোভা অলিম্পিকে একসঙ্গে ডবলসে লড়েছেন। এবার সেন্টার কোর্টে একে অপরের মুখোমুখি। ২৯ বছরের মুচোভা অবিশ্বাস্য লড়াই করেছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারলেন না। আড়াই ঘণ্টার লড়াইয়ে ৬-২, ৫-৭, ৬-৩ ব্যবধানে জিতে প্রথমবার উইম্বলডন খেতাব ঘরে তুললেন ২১ বছরের নোসকোভা।
প্রথম সেট ছিল কার্যত একতরফা। নোসকোভার বীরত্বের ধারে-কাছে ঘেঁষতে পারেননি মুচোভা। দ্রুত ৪-১ পয়েন্টে এগিয়ে যান নোসকোভা। বিশ্বের ৯ নম্বর টেনিস তারকা লম্বা র্যালি খেলতে পছন্দ করেন। অন্যদিকে ক্রমাগত ভুল করে যান তাঁর স্বদেশীয়। ব্যাকহ্যান্ডের এক অনবদ্য শটে ৫-২ এবং ফের মুচোভার ‘এরর’ কাজে লাগিয়ে ৬-২ ব্যবধানে প্রথম সেট ঘরে তোলেন।
আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় সেট শুরু হয়েছিল আরও একতরফা ভাবে। ২-২ করে কিছুক্ষণ লড়াই করার পর আচমকা নোসকোভা ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। যেন আরেকটা শটই তাঁকে কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম এনে দেবে। কিন্তু তখনও লড়াই ছাড়েননি মুচোভা। প্রায় ১০ মিনিটের গেমে ৩-৫ ব্যবধান করেন তিনি। ওখান থেকে ওই সেটের মোমেন্টাম ঠিক হয়ে যায়। স্নায়ুর লড়াইয়ে নোসকোভাকে টক্কর দিয়ে অবিশ্বাস্য কামব্যাক করেন। অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলও পান। শেষমেশ ওই সেট ৭-৫ ব্যবধানে জিতে নেন মুচোভা।
তখন মনে হয়েছিল, হয়তো শেষ সেটে লড়াই ছাড়বেন না ১০ নম্বর টেনিস তারকা। কিন্তু দ্বিতীয় সেটের ধকল নিতে পারলেন না। নির্ণায়ক সেটের শুরুতেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যান নোসকোভা। কিছুটা মরিয়া চেষ্টা করলেও একসময় ৫-২ হয়ে যেতেই ম্যাচের ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত এক দুর্দান্ত ভলিতে আর প্রতিপক্ষকে কামব্যাকের সুযোগ দেননি নোসকোভা। ৬-৩ ব্যবধানে এই সেটও পকেটে পুরে সবুজ ঘাসের নতুন রানি হলেন তিনি। আর ২০২৩-র ফ্রেঞ্চ ওপেনের মতো এবারও খালিহাতে ফিরতে হবে মুচোভাকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
