Yarlung Zangbo River | চিনের দানব বাঁধের পালটা! অরুণাচলে উচ্চতম বাঁধ গড়বে ভারত

Yarlung Zangbo River | চিনের দানব বাঁধের পালটা! অরুণাচলে উচ্চতম বাঁধ গড়বে ভারত

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ তিব্বতে ইয়ারলুং সাংপো (ব্রহ্মপুত্রের চিনা নাম) নদীর ওপর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য একটি দানবীয় বাঁধের নির্মাণকাজ শুরু করেছে চিন। এর ফলে পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতে ভয়াবহ বন্যা বা তীব্র খরা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চিনের বাঁধের কারণে এই অঞ্চলে জীববৈচিত্র্যে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে ভারতের আপত্তিকে আমল দিচ্ছে না চিন। এবার ব্রহ্মপুত্রের জলের ওপর চিনের নিয়ন্ত্রণ লঘু করতে পালটা বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটিই হবে ভারতের উচ্চতম কৃত্রিম জলাধার। এর জন্য খরচ ধরা হয়েছে ১৭,০৬৯ কোটি টাকা। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক দরপত্র জারি করেছে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এনএইচপিসি লিমিটেড। ওই দরপত্র অনুযায়ী ৯১ মাস অর্থাৎ ২০৩২ সালের মধ্যে বাঁধ তৈরির কাজ শেষ হওয়ার কথা।
সূত্রের খবর, মূলত ২টি কারণে অরুণাচলপ্রদেশে বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। চিনে যে বাঁধটি তৈরি হচ্ছে সেটি কখনও জল-বোমা হিসাবে ব্যবহার করা হতে পারে। আবার গ্রীষ্ণকালে ব্রহ্মপুত্রে জলের প্রবাহ কমে গেলে তিব্বতে তৈরি বাঁধের লকগেট বন্ধ করে ভারতের অংশে জল সরবরাহ বন্ধ করতে পারে চিন। তখন এদেশের বিস্তীর্ণ অংশে খরা পরিস্থিতি তৈরি হবে। দুই ক্ষেত্রেই কাজে আসবে অরুণাচলের প্রস্তাবিত বাঁধটি।
চিন থেকে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ জল ছাড়া হলে এই বাঁধের সাহায্যে সেই জলের বড় অংশকে আটকে দেওয়া যাবে। রক্ষা পাবে ভারতের বসতি এলাকা এবং জীববৈচিত্র্য। আবার শুখা মরশুমে বাঁধের জল ফসল উৎপাদন এবং অন্যান্য কাজে লাগবে।
আমেরিকার সঙ্গে শুল্ক টানাপোড়েনের কারণে ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বরফ গলার ইঙ্গিত মিলেছে। ৭ বছর বাদে চিন সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিয়ানজিনে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। তবে সার্বভৌমত্ব, জননিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রীয় স্বার্থের সঙ্গে ভারত যে কোনওরকম আপস করবে না, সেটা অরুণাচলপ্রদেশে বাঁধ তৈরির সিদ্ধান্তে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *