উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বর্তমান যুগে শিশুদের আলুর চিপসের প্রতি আসক্তি অভিভাবকদের অন্যতম দুশ্চিন্তার কারণ। অতিরিক্ত নুনের ব্যবহার এবং ডুবো তেলে ভাজা এই চিপস শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভালো নয়। চিকিৎসকরাও অতিরিক্ত আলু খাওয়ার বিষয়ে সতর্কতা জারি করেন। কিন্তু খুদে সদস্যের বায়না মেটাবেন কীভাবে? উত্তর লুকিয়ে আছে আপনার রান্নাঘরেই! আলুর বিকল্প হিসেবে গাজর, বিট এমনকি পালং শাক দিয়েও বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন জিভে জল আনা ‘স্বাস্থ্যকর’ চিপস (Wholesome Vegetable Chips)।
গাজর ও বিটের ম্যাজিক
গাজর ও বিট কেবল স্যালাডেই নয়, চিপস হিসেবেও দারুণ জনপ্রিয়। গাজর বা বিট পাতলা গোল করে কেটে তাতে গোলমরিচ, নুন ও সামান্য অরিগ্যানো মাখিয়ে নিন। বিটের ক্ষেত্রে সামান্য লেবুর রস ও তিল ছড়িয়ে দিলে স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ২০-২৫ মিনিট বেক করলেই তৈরি মুচমুচে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস। এতে যেমন আয়রন মিলবে, তেমনই শরীরে পৌঁছাবে প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট।
পালং শাক ও আপেলের বৈচিত্র্য
সবুজ শাক সবজি খেতে যে শিশুরা অনীহা দেখায়, তাদের জন্য পালং চিপস তুরুপের তাস হতে পারে। পালং পাতায় অলিভ অয়েল ও রসুনের গুঁড়ো মাখিয়ে মুচমুচে করে ভাজলে বা বেক করলে তারা আনন্দেই খাবে। আবার বিকেলের জলখাবারে একটু মিষ্টি স্বাদের জন্য বেছে নিতে পারেন আপেল। পাতলা আপেলের স্লাইসে দারুচিনির গুঁড়ো ও এক চিমটি নুন ছিটিয়ে বেক করে নিন। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনই ফাইবার সমৃদ্ধ।
কেন এই পরিবর্তন জরুরি?
ক্যালোরি নিয়ন্ত্রণ: আলুর তুলনায় এই সবজিগুলোতে ক্যালোরি অনেক কম থাকে।
ডায়াবিটিস বান্ধব: এই চিপস বাড়ির বড়রা বা ডায়াবিটিস আক্রান্ত রোগীরাও নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।
পুষ্টিগুণ: আয়রন, ক্যালশিয়াম ও ভিটামিনের সঠিক জোগান বজায় থাকে।
দোকানের প্যাকেটজাত চিপসের নেশা ছাড়াতে আজই ট্রাই করুন এই ঘরোয়া পদ্ধতি। এতে শিশুর স্বাস্থ্যের সঙ্গে স্বাদের সমঝোতাও হবে না।
