Voter listing challenge | আঙুলে কি পড়বে নীল কালি? ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ভোটারের ভাগ্য এখন কমিশনের হাতে, উদ্বিগ্ন বিচারাধীনরা

Voter listing challenge | আঙুলে কি পড়বে নীল কালি? ২ লক্ষ ৩৭ হাজার ভোটারের ভাগ্য এখন কমিশনের হাতে, উদ্বিগ্ন বিচারাধীনরা

শিক্ষা
Spread the love


প্রসেনজিৎ সাহা, দিনহাটা: কারও দাবি, কোচবিহার রাজ আমল থেকে বংশানুক্রমে রয়েছেন। কেউ আবার বলছেন, সাত পুরুষ থেকে এখানেই বাস। তাঁদের আরও দাবি, ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বরাবর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যদিও এবারের ভোট উৎসবে তাঁরা শামিল হতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন দিনহাটার (Dinhata) জাকির হোসেন, এজারুল হক, লক্ষ্মীকান্ত রাজভররা। ‘সৌজন্যে’ অবশ্যই এসআইআর (SIR)।

গোটা কোচবিহার জেলায় প্রায় ২ লক্ষ ৩৭ হাজার মানুষের নাম বিচারাধীন রয়েছে। সেই তালিকায় দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে প্রায় ৩৬ হাজার, সিতাই কেন্দ্রে প্রায় ৩৭ হাজার নাম। রয়েছেন প্রচুর চাকরিজীবী। রয়েছে বিএলও’র নামও।

এরকমই একজন হলেন দিনহাটার এক হাইস্কুলের শিক্ষক জাকির হোসেন। তিনি নিজে ৭/৩১৮ নম্বর বুথের বিএলও। এমনকি পরপর দু’বার রাজ্য সরকারের কাছ থেকে শিক্ষারত্ন সম্মানও পেয়েছেন। রবিবার নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে দেওয়ায় এবার ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ‘বিচারাধীন’ জাকির। তিনি বলেন, ‘বহুকাল থেকে বংশানুক্রমে এখানে রয়েছি। কখনও ভাবিনি ভোট দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। কোথাও চক্রান্তের শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছি। তবে অপেক্ষা করছি, দেখি কী হয়।’

অন্যদিকে, সিতাই ৬/১৮০ বুথের বিএলও তথা শিক্ষক এজারুল হকের নামও বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে। ভোট দেওয়া নিয়ে সংশয়ে তিনিও। তাঁর কথায়, ‘আজ নিজেকে অসহায় লাগছে। এখন অপেক্ষা করা ছাড়া কোনও উপায় নেই।’

দিনহাটা শহরের বাসিন্দা লক্ষ্মীকান্ত রাজভরের দাবি, তিনি গতবারের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। এবার অবশ্য তাঁর নাম বিচারাধীনদের তালিকায়। শুধু তিনিই নন, তাঁর স্ত্রীর নামও একই তালিকায়। নাম ভোটার তালিকায় উঠবে তো! প্রবল মানসিক চাপে তাঁরাও।

লক্ষ্মীকান্তর মন্তব্য, ‘কখনও ভাবিনি ভোট দিতে পারব না। এখন এই ভয়ই আমাদের কুরে-কুরে খাচ্ছে। আমাদের সাংবিধানিক অধিকারকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হল। তবে আশায় বুক বাঁধছি- আঙুলে আবার নীল কালির দাগ পড়বে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *