Trump sending USS Tripoli to open Strait of Hormuz

Trump sending USS Tripoli to open Strait of Hormuz

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমে হরমুজ কাঁটায় বিদ্ধ আমেরিকা। গোটা বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ তেল সরবরাহের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রাম্পের উপর ক্ষেপে উঠেছে অর্ধেক পৃথিবী। যুদ্ধংদেহি মেজাজে থাকলেও অস্বস্তি এড়াতে পারছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অন্যদিকে ইরানের প্রত্যাঘাতে আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও উত্তরোত্তর বাড়ছে। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই হরমুজ উদ্ধার ও ইরানের উপর জোরাল আঘাত হানতে ‘জলদানব’ ইউএসএস ত্রিপোলিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাচ্ছে আমেরিকা। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে আরও এক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস বক্সার।

স্যাটেলাইট ইমেজ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউএসএস ত্রিপোলিকে দক্ষিণ চিন সাগর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে রওনা হতে দেখা গিয়েছে। এর পাশাপাশি দেখা গিয়েছে আরও দুই যুদ্ধ জাহাজকে। অনুমান করা হচ্ছে, ২২-২৩ মার্চ নাগাদ এই মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পৌঁছে যাবে নিজের গন্তব্যে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন রয়েছে বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন। ইউএসএস জেরার্ল্ড আর ফোর্ড এতদিন ওই অঞ্চলে থাকলেও এই জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের জেরে সেটিকে বর্তমানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফলে আব্রাহাম লিঙ্কনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধে দাপট দেখাতে আসছে ত্রিপোলি। এর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রণতরী বক্সার। যার অর্থ দুই রণতরী মিলিয়ে প্রায় ৪০০০ নৌসেনা ও অসংখ্য যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার-সহ নানা আধুনিক মারণাস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে আমেরিকা।

আরও পড়ুন:

হরমুজ উদ্ধার ও ইরানের উপর জোরাল আঘাত হানতে ‘জলদানব’ ইউএসএস ত্রিপোলিকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাচ্ছে আমেরিকা। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে আরও এক বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস বক্সার।

ত্রিপোলির বিশেষত্ব হল, এটি আমেরিকার একটি উভচর জলদানব। যাকে বিশেষভাবে আকাশপথে হামলা চালাতে ও আমেরিকার এলিট মেরিন যোদ্ধাদের মোতায়েনের জন্য নির্মিত। এই রণতরীতে ২৫০০ সেনা থাকতে পারেন। বর্তমানে এতে রয়েছে ২০০০ নৌসেনা। ত্রিপোলির দৈর্ঘ্য ৮৪৪ ফুট ও ওজন ৪৫০০০ থেকে ৫০০০০ টন। এতে F-35B লাইটিনিক-এর মতো আধুনিক স্টিলথ ফাইটার জেট এমভ-২২ অস্প্রে ও বিভিন্ন ধরনের অ্যাটাক হেলিকপ্টার মোতায়েন থাকতে পারে। এর মূল কাজ হল সমুদ্রে নিরাপত্তা দেওয়া এবং প্রয়োজনে স্থলে অভিযান চালাতে সেনা জওয়ানদের প্রস্তুত রাখা। এখানে ল্যান্ডিং ক্রাফটের মতো ‘ওয়েল ডেক’ নেই। এই দিজাইনের জেরে এতে একটি বড় হ্যাঙ্গার, অনেক বেশি বিমানের জ্বালানি ও বিমান রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রচুর জায়গা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, শুক্রবার ২১ দিনে পড়েছে ইরান যুদ্ধে। এই লড়াইয়ে ইরান ছারখার হলেও প্রত্যাঘাতে আমেরিকার ক্ষয়ক্ষতিও কম হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে একাধিক মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতবিক্ষত হয়েছে মার্কিন হামলায়। শেষ ২০ দিনের যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ৩টি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ও ৬টি কেসি ট্যাঙ্কার ধ্বংস হয়েছে। ইজরায়েলের হাইফা তেল সংশোধনাগারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক তেল ও গ্যাসের ভাণ্ডার ধ্বংস করেছে ইরান। হরমুজ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম ব্যারেল পিছু ১০০ ডলার পেরিয়েছে। এই অবস্থায় যে কোনওভাবে হরমুজকে মুক্ত করতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল আমেরিকা।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *