Truck driver dying | বাংলাদেশে নিথর অবস্থায় উদ্ধার! চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে রাতেই ভারতে ফিরল ট্রাক চালকের দেহ

Truck driver dying | বাংলাদেশে নিথর অবস্থায় উদ্ধার! চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে রাতেই ভারতে ফিরল ট্রাক চালকের দেহ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


চ্যাংরাবান্ধা: পণ্য খালাস করে শুক্রবার সকালে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল, ভারতীয় ট্রাক চালক সোনম তামাং নিজেই কফিন বন্দি অবস্থায় শুক্রবার রাতে চ্যাংরাবান্ধা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দরের মাধ্যমে ভারতে ফিরেছেন।

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার তিনি ভুটানের পাথর বোঝাই ট্রাক নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। বুড়িমারী স্থলবন্দরে পণ্য খালাসের পর রাতে ট্রাকের কেবিনে ঘুমিয়ে পড়েন। শুক্রবার সকালে পাশের অন্যান্য ট্রাকের চালকেরা সোনমকে অনেক ডাকাডাকি করে কোনও সাড়া না পেয়ে সন্দেহ হয় তাঁদের। তারা ট্রাকের কেবিনের মধ্যে সোনমকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর তারা বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনকে খবর দেন। খবর পৌঁছায় মাদারিহাটে সোনমের পরিবারের কাছেও। পুলিশ তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই খবর পৌঁছায় চালকের পরিবারের কাছে। আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাটের বাসিন্দা সোনম তামাং।

শুক্রবার সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যরা দেহ নিতে চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দরে আসেন। আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে সীমান্ত গেট খুলে বাংলাদেশের পুলিশ ও বিজিবির উপস্থিতিতে ভারতীয় বিএসএফ ও ইমিগ্রেশন আধিকারিকদের হাতে দেহ হস্তান্তর করা হয়। ঘটনাস্থলে চ্যাংরাবান্ধা ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা মৃত চালককে শ্রদ্ধা জানান এবং পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দেন।

মৃত চালক সোনমের বাবা, কানছা তামাং, বলেন, “ছেলে ভুটানের কোম্পানির গাড়ি চালাতো। বুধবার বাড়ি থেকে হাসিমুখে বেরিয়েছে, কিভাবে এমন হল বুঝতে পারছি না। সম্ভবত হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হয়েছে।”

অপর আত্মীয় অজিত লামা জানান, “সোনমের স্ত্রী ও ছোট ছেলে আছে। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারী ছিলেন সোনম। এখন তাদের কী হবে, তা আমরা জানি না।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *