নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আইএফএ শিল্ড জিতে গুমোটভাব কেটে ফুরফুরে মেজাজে মোহনবাগান সুপার জায়েন্ট।বুধবার সন্ধ্যায় সবে অনুশীলন শেষ হয়েছে। ড্রেসিংরুম থেকে বেরিয়ে পরিচিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে হাসিমুখে হাত নেড়ে চলে গেলেন দিমিত্রিস পেত্রাতোস। কয়েক মিনিট পর আপুইয়া যখন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে ব্যস্ত, তখন সেটা দেখে মজা করেই জেসন কামিন্সের উক্তি, ‘আপুইয়া দলের মহাতারকা।’ অজি তারকার পিছনে দাঁড়ানো টম অ্যালড্রেড আপুইয়াকে হাসানোর চেষ্টা করে গেলেন। এইসব টুকরো টুকরো চিত্রই বলে দিচ্ছিল, শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়ে মোহনবাগান খেলোয়াড়দের শরীরী ভাষায় কতটা পরিবর্তন হয়েছে।
গোয়া রওনা দেওয়ার আগে বুধবার কলকাতায় শেষ প্রস্তুতি সেরে ফেলল মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার দুপুরে গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন দিমিরা। কলকাতায় শেষ দফার প্রস্তুতিতে দুই দলে ভাগ করে ফুটবলারদের ম্যাচ খেলালেন হোসে ফ্রান্সিসকো মোলিনা। অনুশীলনে ফুটবলারদের বেশ হাসিখুশি দেখা গিয়েছে। পূর্ণশক্তির দল নিয়েই গোয়া যাচ্ছেন বাগান কোচ।
সুপার কাপে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল একই গ্রুপে রয়েছে। ফলে আইএফএ শিল্ড ফাইনালের ঠিক ১৩ দিনের মাথায় আবারও দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মুখোমুখি হচ্ছে। তবে সেই ম্যাচ নিয়ে এখনই ভাবতে নারাজ শিল্ড ফাইনালের গোলদাতা আপুইয়া। অনুশীলন শেষে তিনি বলেছেন, ‘এখনই ডার্বি নিয়ে ভাবার সময় আসেনি। তার আগে গ্রুপপর্বে চেন্নাইয়ান এফসি ও ডেম্পোর সঙ্গে ম্যাচ রয়েছে। আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ চিন্তা করে এগোচ্ছি।’
সুপার কাপে মোহনবাগান ছাড়াও এফসি গোয়া, ইস্টবেঙ্গল ও বেঙ্গালুরু এফসি-কে ফেভারিট হিসেবে মনে করছেন বাগানের মিডফিল্ড জেনারেল। তিনি বলেছেন, ‘আইএফএ শিল্ড জিতে আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে গিয়েছে। সুপার কাপে আমরা ছাড়াও এফসি গোয়া চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অন্যতম বড় দাবিদার। ওরা গত মরশুমের দলটা ধরে রেখেছে। এছাড়াও ইস্টবেঙ্গল ও বেঙ্গালুরু এফসি খুব ভালো দল গড়েছে।’ সুপার কাপে প্রতিটি দল ছয় বিদেশি খেলাতে পারবে। এই নিয়ে আপুইয়া বলেছেন, ‘আমরা চার বিদেশিতে খেলেছি। তবে ছয় বিদেশি নিয়ে খেলতে কোনও অসুবিধা নেই।’
