TMC candidates in Paschim Bardhaman | পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূলের ‘সিক্স-থ্রি’ ফর্মুলা: পুরোনো ৬ মুখেই আস্থা মমতার, চমক অভিজিৎ-কবি-কালোবরণ

TMC candidates in Paschim Bardhaman | পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূলের ‘সিক্স-থ্রি’ ফর্মুলা: পুরোনো ৬ মুখেই আস্থা মমতার, চমক অভিজিৎ-কবি-কালোবরণ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


রাজা বন্দ্যোপাধ্যায়, আসানসোল: প্রত্যাশা মতোই পশ্চিম বর্ধমান (TMC candidates in Paschim Bardhaman) জেলার ৯টি বিধানসভা আসনে অভিজ্ঞ ও নতুন মুখের ভারসাম্য বজায় রাখল তৃণমূল কংগ্রেস। মঙ্গলবার ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় দেখা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলার ৬টি আসনে পুরোনো বিধায়কদের ওপরই ভরসা রেখেছেন। তবে কুলটি, দুর্গাপুর পশ্চিম ও রানিগঞ্জে এসেছে ৩টি নতুন মুখ, যা শিল্পাঞ্চলের রাজনীতিতে নতুন চর্চার জন্ম দিয়েছে।

মলয়-প্রদীপে ভরসা, নতুন চমক অভিজিৎ ঘটক:

আসানসোল উত্তর কেন্দ্রে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফের প্রার্থী হয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। একইভাবে দুর্গাপুর পূর্বে আস্থা রাখা হয়েছে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের ওপর। তবে এবারের বড় চমক কুলটি আসন। সেখানে আসানসোল পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র তথা মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটকের ওপর বড় দায়িত্ব সঁপেছেন তৃণমূল নেত্রী। কুলটি পুনরুদ্ধারে তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতাই দলের তুরুপের তাস।

নতুন লড়াকু মুখ:

দুর্গাপুর পশ্চিমে সরাসরি ভোটের লড়াইয়ে নামানো হয়েছে ‘আড্ডা’-র চেয়ারম্যান কবি দত্তকে। অন্যদিকে, রানিগঞ্জে বিদায়ী বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর পুরোনো কেন্দ্র আসানসোল দক্ষিণে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে রানিগঞ্জে প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ হিসেবে উঠে এসেছেন কালোবরণ মণ্ডল।

জেলায় লড়াইয়ের চালচিত্র:

আসানসোল উত্তর: ফের মুখোমুখি মলয় ঘটক বনাম বিজেপির কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায়।

আসানসোল দক্ষিণ: ত্রিমুখী লড়াই হবে তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় (তৃণমূল), অগ্নিমিত্রা পাল (বিজেপি) ও শিল্পী চক্রবর্তীর (সিপিএম) মধ্যে।

পাণ্ডবেশ্বর: জেলার অন্যতম ‘হট সিট’ পাণ্ডবেশ্বরে সম্মুখ সমরে নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ও বিজেপির জিতেন্দ্র তেওয়ারি।

অন্যান্য: জামুড়িয়ায় হরেরাম সিং এবং বারাবনিতে মেয়র বিধান উপাধ্যায়কেই ফের লড়াইতে নামানো হয়েছে।

শিল্পাঞ্চলের এই জেলাটি গতবারও ছিল রাজনৈতিক সংঘাতের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। এবারও হেভিওয়েট মন্ত্রী ও মেয়রদের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের নেতাদের ময়দানে নামিয়ে পশ্চিম বর্ধমানের নয়-এ-নয় করাই এখন ঘাসফুল শিবিরের প্রধান লক্ষ্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *