Tala PS arrests 5 together with liftman in RG Kar loss of life case

Tala PS arrests 5 together with liftman in RG Kar loss of life case

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


আর জি কর হাসপাতালের লিফটে আটকে যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় লিফটম্যান-সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করল টালা থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৩ জন লিফটম্যান, ২ জন নিরাপত্তারক্ষী। সকলের বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ একটাই, ঘটনার সময় কর্তব্যে গাফিলতি ছিল তাদের। শুক্রবার সকালে অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে যুবকের মৃত্যুতে তাঁর বাবা অমল বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা এফআইআরের ভিত্তিতে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনায় ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১০৫/৩(৫) ধারা অর্থাৎ অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। শনিবার ধৃতদের শিয়ালদহ আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের হোমিসাইড শাখা।

টালা থানা সূত্রে খবর, গ্রেপ্তার হওয়া লিফটম্যানরা হলেন – মিলনকুমার দাস, বিশ্বনাথ দাস, মানসকুমার গুহ। আর ধৃত দুই নিরাপত্তারক্ষী – আশরাফুল রহমান ও শুভদীপ দাস। লিফটম্যানরা সকলেই কলকাতার বাসিন্দা। দুই নিরাপত্তারক্ষীর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায়।

আরও পড়ুন:

টালা থানা সূত্রে খবর, গ্রেপ্তার হওয়া লিফটম্যানরা হলেন – মিলনকুমার দাস, বিশ্বনাথ দাস, মানসকুমার গুহ। আর ধৃত দুই নিরাপত্তারক্ষী – আশরাফুল রহমান ও শুভদীপ দাস। লিফটম্যানরা সকলেই কলকাতার বাসিন্দা। দুই নিরাপত্তারক্ষীর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায়। শুক্রবার নাগেরবাজারের বাসিন্দা অরূ ঘটনার সময় অর্থাৎ শুক্রবার ভোরে এরা কী করছিলেন, কেন লিফটের কাছে ছিলেন না, বিপদে তাদের পাওয়া যায়নি – এসব জবাব খুঁজছেন তদন্তকারীরা। তার জন্য লাগাতার জেরা চলছে বলে খবর। ইতিমধ্যে অরূপের ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরের ২৫ টি জায়গায় আঘাত রয়েছে।

শুক্রবার দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় ছেলের চিকিৎসার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে লিফট করে আর জি কর হাসপাতালের পাঁচতলার ট্রমা কেয়ার সেন্টারে যাচ্ছিলেন। লিফট চালু হওয়ার পর কোনও কারণে ঝাঁকুনি দিয়ে সেটি আটকে যায়। উপরে ওঠার পরিবর্তে নিচে নেমে আসে লিফটটি। তারপরে লিফট খুলে অরূপকে বের করে আনা হয়, ততক্ষণে অবশ্য অচেতন হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। পরে চিকিৎসকরা জানান, অরূপের মৃত্যু হয়েছে। তবে স্ত্রী ও সন্তান সুরক্ষিত। এই ঘটনা ঘিরে হাসপাতাল চত্বরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে মৃত অরূপের বাবা টালা থানায় এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ প্রথম লিফটম্যান-সহ ৫ জনকে আটক করে। থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীদের প্রশ্নের জবাবে অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে তারা। এরপরই রাতের দিকে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *