উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মহারণ দোরগোড়ায়। কিন্তু ফাইনালের ঠিক আগেই ভারতীয় দলের ওপেনিং কম্বিনেশন নিয়ে চিন্তার ভাঁজ থিংক ট্যাঙ্কের কপালে। তরুণ তুর্কি অভিষেক শর্মার ব্যাটে রানের খরা কি টিম ইন্ডিয়ার স্বপ্নভঙ্গের কারণ হবে? প্রাক্তন ভারতীয় ব্যাটার মহম্মদ কাইফ মনে করছেন, এখন সময় এসেছে অভিষেককে বিশ্রাম দিয়ে অভিজ্ঞ কাউকে সুযোগ দেওয়ার।
পরিসংখ্যানে ফিকে অভিষেক
চলতি বিশ্বকাপে অভিষেকের পারফরম্যান্স মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়। সাত ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ মাত্র ৮০ রান। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি হাফ-সেঞ্চুরি বাদ দিলে তাঁর ব্যাট কার্যত শান্ত। এমনকি সেমিফাইনালের মতো হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাত্র ৯ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি।
“অভিষেককে বিশ্রাম দিন”, পরামর্শ কাইফের
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কাইফ স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বড় ম্যাচে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে। তিনি বলেন:”ভারত চাইলে অভিষেক শর্মাকে বিরতি দিতে পারে। ও অনেক ম্যাচ খেলেছে। কুড়ি-বিশের ফর্ম্যাটে বদল আনলে কোনো ক্ষতি নেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজও ব্রেন্ডন কিং অফ-ফর্মে থাকায় রোস্টন চেজকে নামিয়েছিল। সঞ্জু স্যামসনকে সুযোগ দিয়ে যেমন ফল পেয়েছে ভারত, এখানেও তেমন কিছু ভাবা উচিত।”
রিঙ্কু সিং না কুলদীপ? বিকল্পের ছড়াছড়ি
কাইফের মতে, ডাগআউটে যখন রিঙ্কু সিং-এর মতো প্রমাণিত পারফর্মার বসে আছেন, তখন অফ-ফর্মে থাকা কাউকে খেলানো অর্থহীন। রিঙ্কু আইপিএল থেকে ঘরোয়া ক্রিকেট—সব জায়গাতেই রান করেছেন। এছাড়া বোলিং শক্তি বাড়াতে চাইলে কুলদীপ যাদব বা মহম্মদ সিরাজ-এর নামও প্রস্তাব করেছেন তিনি।
সঞ্জু বনাম অভিষেক: তুলনা চলে না
সঞ্জু স্যামসন এই বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করেছেন। কিন্তু অভিষেকের ক্ষেত্রে কাইফের মত, সঞ্জু ১১ বছর আগে অভিষেক করেছেন এবং টি-টোয়েন্টিতে ৮০০০-এর বেশি রান করেছেন, তাই দুজনের তুলনা করা ঠিক নয়। গৌতম গম্ভীর শেষ পর্যন্ত কাইফের পরামর্শ মেনে রিঙ্কু সিং-কে ফিনিশার হিসেবে বা টপ-অর্ডারে কোনো রদবদল করবেন? নাকি তরুণ অভিষেকের ওপরই আস্থা রাখবে ম্যানেজমেন্ট? উত্তর মিলবে ফাইনালের টসের সময়।
