উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মাঠের লড়াই শুরুর আগে টসের সময় বিপক্ষ অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানো—সুরটা বেঁধে দিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav) নিজেই। আর মাঠের লড়াইয়েও বজায় থাকল সেই একই ঝাঁঝ। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬১ রানে উড়িয়ে দিয়ে সূর্য স্পষ্ট করে দিলেন, এই দ্বৈরথ এখন আর হয়তো আগের মতো সমানে-সমানে ‘মহারণ’ পর্যায়ে নেই। ম্যাচ জয়ের পর এই সাফল্য দেশবাসীকে উৎসর্গ করেছেন ভারত অধিনায়ক।
মন্থর পিচে ভারতের শুরুটা ভালো হয়নি। দ্রুত প্রথম উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন ঈশান কিষান। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং দেখে অবাক অধিনায়ক নিজেও। সূর্য বলেন, “ঈশান এভাবেই ব্যাট করতে পছন্দ করে। ঘরোয়া ক্রিকেটে ওর এই ফর্ম আমরা দেখেছি। চাপের মুখেও ও সাহসের পরিচয় দিয়েছে। যখন ১ উইকেটে ০ রান ছিল, তখন কাউকে দায়িত্ব নিতেই হতো। ঈশান সেই কাজটা দারুণভাবে করেছে। পাশাপাশি তিলক, শিবম এবং রিঙ্কুর অবদানও প্রশংসনীয়।”
১৭৫ রান কি জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল? এই প্রশ্নের উত্তরে অধিনায়ক জানান, “প্রথমে ব্যাট করলে লক্ষ্যমাত্রা বোঝা কঠিন। তবে ১৭৫ তোলার পর বুঝেছিলাম যে আমরা এই মাঠের গড় স্কোরের চেয়ে অন্তত ১৫-২০ রান বেশি তুলে ফেলেছি। যদি স্কোরটা ১৫৫ হতো, তবে হয়তো ম্যাচটা অনেক বেশি হাড্ডাহাড্ডি হতে পারত।”
পাওয়ার প্লে-তেই পাকিস্তানের ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ভারতের জয় কার্যত নিশ্চিত করে দিয়েছিলেন বোলাররা। জসপ্রীত বুমরাহর ভূয়সী প্রশংসা করে সূর্যকুমার বলেন, “হার্দিক নতুন বলে নিজের দায়িত্ব পালন করেছে। আর বুমরাহ আবারও প্রমাণ করেছে কেন ও বিশ্বের সেরা বোলার। দলের সবার এই মিলিত অবদান দেখে খুব ভালো লাগছে।”
পাকিস্তান-বধের উদযাপন শেষ করে সোমবারই আমদাবাদে পৌঁছবে টিম ইন্ডিয়া। পরবর্তী ম্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে। তবে অধিনায়ক এখনই সেটা নিয়ে ভাবতে নারাজ। তিনি বলেন, “আজকের রাতটা আমরা একসঙ্গে উপভোগ করতে চাই। আমদাবাদ পৌঁছনোর পর আগামীকাল থেকে নেদারল্যান্ডস ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করব।”
