Sukna | ফুটপাথের রেলিং ভাঙা, সুকনাগামী জাতীয় সড়কে নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন

Sukna | ফুটপাথের রেলিং ভাঙা, সুকনাগামী জাতীয় সড়কে নির্মাণের মান নিয়ে প্রশ্ন

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


রণজিৎ ঘোষ, শিলিগুড়ি: কয়েক মাস আগেই সুকনাগামী (Sukna) জাতীয় সড়কে নির্মাণ করা হয়েছে ফুটপাথ। সেখানে পেভার্স ব্লক পেতে পাশে দেওয়া হয়েছে লোহার রেলিং। তা ভেঙে পড়ছে এখন। অভিযোগ, অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ হওয়ায় একটু চাপ দিলেই রেলিং খুলে পড়ছে। এই সুযোগে রাতের অন্ধকারে তা চুরিও হচ্ছে। সুকনার বাসিন্দারাও ঘটনায় ক্ষুব্ধ। তাঁদের বক্তব্য, ‘সরকারি টাকা অপচয় করে ফুটপাথ তৈরি করা হয়েছে। এখন তো রেলিংও চুরি হচ্ছে। এখানে এভাবে টাকা অপচয় না করে অন্য জায়গায় উন্নয়নমূলক কাজ করলে ভালো হত।’ পূর্ত দপ্তরের জাতীয় সড়ক-৯ বিভাগের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার দেবব্রত ঠাকুর বলেছেন, ‘রেলিং ভেঙে পড়ার ঘটনা আমাদের নজরেও এসেছে। স্থানীয়রা বলছেন, হাতি এই রেলিং ভেঙেছে। তবে মানুষও রেলিংগুলি ভাঙতে পারে। ওই কাজের এজেন্সিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা ফের রেলিং লাগিয়ে দেবে।’

দার্জিলিংগামী ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কের নিউ চামটা মোড় থেকে সুকনা পর্যন্ত রাস্তার বাঁদিকে নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে ফুটপাথ। তা তৈরির জন্য রাস্তার পাশে প্রচুর গাছ কাটার প্রয়োজন ছিল। সেই অনুমতি চেয়ে বন দপ্তরে আবেদন করেছিল পূর্ত দপ্তর। কিন্তু বন দপ্তর গাছ কাটার অনুমতি দেয়নি। কিন্তু তার পরও ফুটপাথ তৈরির বরাত দেয় পূর্ত দপ্তরের জাতীয় সড়ক বিভাগ। সমস্ত গাছ রেখেই পেভার্স ব্লক পেতে পাশে লোহার রেলিং দিয়ে ফুটপাথ তৈরি হয়েছে। যা কোনও কাজেই লাগছে না বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। রেলিংগুলি চুরি করছে দুষ্কৃতীরা।

সুকনার বাসিন্দা সমাজকর্মী সুরেন প্রধানের বক্তব্য, ‘এটা ফুটপাথ তৈরি বা রাস্তার সম্প্রসারণ নয়, বাস্তবে গাছের সুরক্ষার কাজ করেছে পূর্ত দপ্তর। আমি প্রথম থেকেই এভাবে সরকারি টাকা অপচয়ের বিরোধিতা করেছি। এখন দেখছি রেলিংগুলি খুলে পড়ছে। হয়তো সেগুলি চুরি হয়ে যাচ্ছে। কতটা মজবুত করে এগুলি বসানো হয়েছে সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ রয়েছে।’

এদিন এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, একাধিক জায়গায় লোহার রেলিং ভেঙে পড়ে আছে। রুস্তম ছেত্রী নামে স্থানীয় একজন বললেন, ‘পাঁচ-ছ’মাস আগেই তো রেলিং বসানো হল। এর মধ্যেই এগুলি ভেঙে পড়ছে। রেলিংয়ের খুব সামান্য অংশ কংক্রিটের তলায় রয়েছে, ফলে দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে। এবার এসব চুরি হয়ে যাবে।’ একই কথা বললেন অলোক বিশ্বাস সহ অন্যরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *