SIR Asansol | দুই বিধানসভার ভোটার তালিকায় নাম! বিতর্কে সালানপুরের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা  

SIR Asansol | দুই বিধানসভার ভোটার তালিকায় নাম! বিতর্কে সালানপুরের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা  

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


সালানপুরঃ এসআইআর প্রক্রিয়া একেবারে শেষ পর্যায়ে। রবিবারই এই প্রক্রিয়া আরও সাতদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। তারই মধ্যে বিতর্ক তৈরি হল পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকের রূপনারায়ানপুর পঞ্চায়েতের সদস্যা শুক্লা দত্তকে নিয়ে। অভিযোগ, শাসক দলের এই পঞ্চায়েত সদস্যার নামে দুটি এনুমারেশন ফর্ম এসেছে। একটি কাটোয়া ও একটি বারাবনি বিধানসভায়। সেই নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক।

জানা গিয়েছে, কাটোয়ায় শুক্লা দত্তর বাপের বাড়ি। তার বিয়ে হয়েছে সালানপুরের রুপনারায়নপুরে। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে বারাবনি থানার সালানপুর ব্লকের রূপনারায়ানপুরে জয়ী হয়ে পঞ্চায়েত সদস্যা হন শুক্লা দত্ত। পঞ্চায়েতের সদস্যা কী ভাবে দুই বিধানসভার ভোটার, তা নিয়ে প্রশ্ন বিরোধী থেকে সাধারণ মানুষের।

এদিন, রূপনারায়ানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যা শুক্লা দত্ত বলেন, ‘কাটোয়ায় আমার বাপের বাড়ি। বিয়ের আগে কাটোয়াতে আমার ভোটার কার্ড হয়। তারপরে আমার বিয়ে হয়। বিয়ের পরে ২০২১ সালে বারাবনি বিধানসভায় নতুন করে ভোটার কার্ড বানাই। তখন আমি কাটোয়ায় আমার ভোটার কার্ড বাতিল করার জন্য বিএলওকে জানিয়েছিলাম। কিন্তু সেই ভোটার কার্ড বাতিল করা হয়নি। আর বিয়ের পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে শ্বশুর ও শাশুড়ির শরীর খারাপ ছিল। তাই আমার পক্ষে আর কাটোয়া যাওয়া হয়নি। আমি জানতাম না যে, আমার কাটোয়ার ভোটার কার্ড বাতিল করা হয়নি। এখন কাটোয়ায় বাপের বাড়িতে এসআইআর প্রক্রিয়ার জন্য এনুমারেশন ফর্ম আসায় আমি তা জানতে পারি।’ তবে তিনি দাবি করেন, তার কাটোয়াতে ভোটার কার্ড থাকলেও তিনি সেখানে কোনওদিনই ভোট দিতে যাননি। শুধুমাত্র ভোট দিয়েছেন বারাবনি বিধানসভায়। তিনি এও বলেন, ‘আমি  বারাবনি বিধানসভার জন্য ইনুমেরেশন ফর্ম পূরণ করে বিএলওকে করে জমা দিয়েছি।’

স্বাভাবিক ভাবেই বিরোধী দলের তরফে বলা হয়েছে, পঞ্চায়েত সদস্যার নাম দুই বিধানসভায়। তাহলে বোঝাই যাচ্ছে, কী রয়েছে গোটা বাংলা জুড়ে। এরজন্যই এসআইআর জরুরি।

অন্যদিকে, শাসক দলের তরফে পাল্টা জবাবে বলা হয়েছে, কারোর নাম বাদ দেওয়ার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। পঞ্চায়েত সদস্যা তো কাটোয়ার নাম কাটার জন্য আবেদন করেছিলেন।

এই প্রসঙ্গে, প্রশাসনের তরফে বলা হয়েছে, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *