SIR | শুনানি শেষেও নথি তলব, কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের

SIR | শুনানি শেষেও নথি তলব, কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তৃণমূলের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


অভিজিৎ ঘোষ, আলিপুরদুয়ার: নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে শনিবার এসআইআর-এর শুনানি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে (SIR)। যে সমস্ত সমস্যা এখনও মেটানো সম্ভব হয়নি, শুনানি শেষ হওয়ার পর আলিপুরদুয়ার জেলা প্রশাসন বর্তমানে সেগুলি দ্রুত সম্পন্ন করার দিকে নজর দিয়েছে। তবে এই প্রশাসনিক তৎপরতার মাঝেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সরব হয়েছে। এসআইআর-এর শুনানি পর্ব মিটে যাওয়ার পরেও অনেক ভোটারের কাছ থেকে নতুন করে পরিচয় সংক্রান্ত নথি চাওয়া হচ্ছে বলে তৃণমূলের অভিযোগ। নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পরও নতুন করে নথি চাওয়ার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ ঠিক নয় বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

এসআইআর প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকা তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক তথা বিএলএ-১ সৌরভ চক্রবর্তী এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘শনিবার এসআইআর-এর শুনানির শেষ দিন ছিল। অথচ ওইদিনও কয়েকজনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নথি চাওয়া হচ্ছে। এতে ভোটাররা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন।’ সৌরভের দাবি অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ার-১ ব্লকের পররপার গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা আলিপুরদুয়ার-১ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি পীযূষকান্তি রায়ের গলাতেও একই সুর শোনা গিয়েছে। তিনি জানান, ১২/১০১ নম্বর বুথে এমন ১৪ জন ভোটার রয়েছেন, যাঁদের কাছে পুনরায় নথি চাওয়া হয়েছে। মূলত নামের বানানে ভুলের অজুহাতেই এই নথি তলব করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। পীযূষ বলেন, ‘প্রয়োজনীয় নথি সঙ্গে রাখতে ওই বাসিন্দাদের বলা হয়েছে। কোনও সমস্যা হলে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।’ মূলত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে ওই ভোটারদের নথি চাওয়া হচ্ছে বলে তৃণমূল অভিযোগ করেছে।

আলিপুরদুয়ার-১’এর বিডিও বিশ্বনাথ মজুমদার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর কথায়, ‘কে নথি চাইল সেটা জানা নেই। নথি চাওয়ার তো কোনও কথাই নেই। শুনানি শেষ হয়েছে। বর্তমানে প্রশাসনিক কাজ চলছে।’ শুনানিতে ডাকা ভোটারদের নথি আপলোড করার জন্য নির্দিষ্ট যে পোর্টালটি রয়েছে, সেটি শনিবারই বন্ধ হয়ে গিয়েছে বলে তিনি জানান। তাঁর কথায়, ‘তাই নতুন করে ওই পোর্টালে কোনও নথি আপলোড করা প্রযুক্তিগতভাবে সম্ভব নয়।’ ফলে নথি নিয়ে নতুন করে কোনও কাজ হওয়ার অবকাশ নেই বলেই তিনি মনে করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, এসআইআর শুনানি শেষে এখন মাইক্রো অবজার্ভারদের তোলা প্রশ্নগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে জেলায় মোট ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, যার মধ্যে প্রায় ৯৮ শতাংশ ভোটার উপস্থিত হয়ে নথি জমা দিয়েছেন। সেই তথ্য যাচাই করেই এখন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা তৈরির কাজ চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *