এসআইআর ইস্যুতে এবার উত্তপ্ত হতে শুরু করল পাহাড়। পদবি বিভ্রাটের জন্য প্রাক্তন সরকারি কর্মচারী-সহ কয়েক হাজার গোর্খা জনজাতি মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ। উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে আন্দোলনের হুমকি দিলেন গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সুপ্রিমো তথা জিটিএ প্রধান অনীত থাপা। মঙ্গলবার কালিম্পং শহরের মেলা মাঠের সভা থেকে তিনি ওই হুমকি দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
অনীতের অভিযোগ, কয়েক হাজার গোর্খার নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী রয়েছেন। এসআইআর-এ নাম বাদ পড়ে যাওয়ায় ওই সরকারি কর্মচারীদের পেনশন নিয়ে সমস্যা হবে। তিনি আরও বলেন, “সিঙ্কোনা প্ল্যানটেশনের অনেক অবসরপ্রাপ্ত কর্মীর নাম বাদ পড়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না।” তবে শুধু সিঙ্কোনা প্ল্যানটেশন নয়। প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিম্পং, কার্শিয়াং, মিরিক ও দার্জিলিংয়ের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় এসআইআর তালিকা থেকে বাদ যাওয়া প্রচুর মানুষের খবর মিলেছে। তাঁদের মধ্যে ৮০-৯০ বছরের প্রবীণরাও আছেন। প্রত্যেকে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
অনীত বলেন, “গোর্খাদের মধ্যে বাবা ও ছেলের পদবি ভিন্ন হয়ে থাকে। সেটা নির্বাচন কমিশনের কি জানা নেই? ওর সেটা না বুঝে একের পর এক নাম কেটেছে।” এরপরই তাঁর অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশনকে কে পরিচালনা করছে সেটা প্রত্যেকে জানে। এসব চলবে না। যোগ্যদের প্রত্যেকের নাম তালিকায় না-থাকলে পাহাড়ে তীব্র আন্দোলন শুরু হবে।” তাহলে কি বিধানসভা নির্বাচনের আগে পাহাড় উত্তপ্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছে? ফের গোর্খাল্যান্ড ইস্যু সামনে এসে আন্দোলনে নামা হবে? সেই চর্চা শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
