SIR গাফিলতিতে ৩ BLO-কে শোকজ, অভিষেক ‘ভূত’ হাঁটাতেই সক্রিয় কমিশন!

SIR গাফিলতিতে ৩ BLO-কে শোকজ, অভিষেক ‘ভূত’ হাঁটাতেই সক্রিয় কমিশন!

রাজ্য/STATE
Spread the love


নব্যেন্দু হাজরা: এসআইআর তালিকায় জীবিতকে ‘মৃত’ বলে দেখিয়েছিল কমিশন। এই ঘটনায় তিন ‘মৃত’ ভোটারকে ভরা জনসভায় নিয়ে এসে নির্বাচন কমিশনকে তুলোধোনা করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গাফিলতির ‘লজ্জা’ ঢাকতে এবার কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার তিনটি বুথের বিএলও শোকজ করা হল। পাশাপাশি জেলাশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কীভাবে এতবড় গাফিলতি তা যেন ব্যাখ্যা করা হয়। সবমিলিয়ে অভিষেকের তরফে র‍্যাম্পে ‘ভূত’ হাঁটানোর পর ‘ষোলআনা সক্রিয়’ হতে দেখা গেল কমিশনকে।

গোটা ঘটনার সূত্রপাত গত ২ জানুয়ারি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে একজনসভায় বক্তৃতার মাঝেই সভামঞ্চে তিন জনকে হাজির করিয়েছিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তাঁদের দু’জন পুরুষ এরা হলেন মনিরুল মোল্লা ও হরেকৃষ্ণ গিরি। তৃতীয় জন এক মহিলা, নাম মায়া দাস। অভিষেক অভিযোগ করেন, এই তিন জনকে এসআইআর প্রক্রিয়ায় মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন! ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বলেন, “এই যে তিন জনকে দেখছেন, তাঁদের এই দু’জন (সভামঞ্চে হাজির হওয়া দুই পুরুষকে দেখিয়ে) মেটিয়াবুরুজের বাসিন্দা। আর ইনি (মহিলাকে দেখিয়ে) কাকদ্বীপের। নির্বাচন কমিশন এঁদের মৃত ঘোষণা করেছে। শুধু এঁরাই নয়, এঁদের মতো আরও ২৪ জন রয়েছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, যাঁদের মৃত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।” কেন জীবিতকে মৃত দেখানো হল তার জবাব চান অভিষেক। ঘটনা সামনে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতেও শোরগোল পড়ে যায়।

বিতর্ক মাথাচাড়া দিতেই এবার নড়েচড়ে বসতে দেখা যায় কমিশনকে। এই ঘটনায় রিপোর্ট চাওয়া হয় জেলাশাসকের কাছে। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকের দফতরের তরফে জানানো হয়, ইচ্ছাকৃতভাবে কোনও ভুল হলে অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলাশাসকের রিপোর্ট সামনে আসার পর, গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে শনিবার পদক্ষেপ করল কমিশন। যারা এই দায়িত্বে ছিলেন সেই বিএলওদের শোকজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, তৃণমূলের এক কাউন্সিলরকেও একই ভাবে কমিশন প্রকাশিত খসড়া তালিকায় মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। ডানকুনির তৃণমূল কাউন্সিলর সূর্য দে তালিকায় নিজেকে মৃত দেখার পরেই দলবল নিয়ে শ্মশানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোলও হয়েছিল। এ ঘটনায় পরে জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছিল কমিশন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *