Siliguri | পাবে পার্টির পর জংশনে মদ্যপের তাণ্ডব! পুলিশকে দেখে গাড়িতে খিল! কাঁচ ভেঙে যুবককে উদ্ধার করে সোজা হাজতে

Siliguri | পাবে পার্টির পর জংশনে মদ্যপের তাণ্ডব! পুলিশকে দেখে গাড়িতে খিল! কাঁচ ভেঙে যুবককে উদ্ধার করে সোজা হাজতে

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


শিলিগুড়ি: মদ্যপ অবস্থায় মাঝরাতে হুজ্জুতি, আর তারপর পুলিশকে নাকানিচোবানি খাওয়ানো— মঙ্গলবার ভোরে শিলিগুড়ি জংশন (Siliguri) এলাকায় এক যুবকের কীর্তি দেখে চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয়দের। মদ্যপ যুবককে বাগে আনতে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে ক্রেন ডাকতে হয় এবং গাড়ির কাঁচ ভেঙে তাঁকে টেনে বের করতে হয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোনু প্রসাদ-সহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে প্রধাননগর থানার পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃতদের মধ্যে সোনু প্রসাদ দার্জিলিংয়ের বাসিন্দা এবং আদিত্য গুপ্তা দাগাপুরের বাসিন্দা। এদিন ভোরে মাটিগাড়ার একটি শপিং মলের পাব-এ পার্টি সেরে তাঁরা জংশন এলাকায় তাঁদের বন্ধুদের হোটেলে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছেই তাঁরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন এবং নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। হোটেলের মালিক বাধা দিতে এলে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রধাননগর থানার পুলিশ।

পুলিশ আসতে দেখেই সোনু প্রসাদ দ্রুত গাড়ির ভেতরে ঢুকে সমস্ত দরজা লক করে দেন। পুলিশ বারবার তাঁকে বাইরে আসার অনুরোধ করলেও, তিনি তা উপেক্ষা করে ভেতর থেকে পুলিশের ভিডিও করতে থাকেন। প্রায় ঘণ্টাখানেক এই নাটক চলার পর পুলিশ ক্রেন আনিয়ে গাড়িটি থানায় টেনে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশেষে কোনো উপায় না দেখে পুলিশ গাড়ির কাঁচ ভেঙে জানলা দিয়ে সোনুকে টেনে বের করে।

ঘটনাস্থল থেকেই সোনু ও তাঁর বাকি চার বন্ধু— অভিষেক শা, সুরজ গুপ্তা, বিক্রম শর্মা এবং আদিত্য গুপ্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রধাননগর থানার আইসি বাসুদেব সরকার জানান, ধৃতরা প্রত্যেকেই প্রচণ্ড মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন এবং বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারতেন। পরে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হলে ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। পুলিশের এই তৎপরতা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা প্রদীপ দাস মন্তব্য করেন, “সত্যিই পুলিশকে কত কিছুই না করতে হয়!”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *