শামুকতলাঃ প্রয়োজন মাত্র ৮/১০ মিটার তারের! তা কিনে দেওয়ার নাকি লোক নেই। নেই ফান্ডও। আর সেই কারণে প্রায় ১২ দিন ধরে অন্ধকারে ডুবে রয়েছে আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের বাকলা সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। সরকারি সুস্বাস্থ্যকেন্দ্র বিদ্যুৎহীন থাকায় ফ্রিজে রাখা ওষুধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে ভ্যাকসিন। ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। বাড়ছে ক্ষোভ। তবুও হেলদোল নেই স্বাস্থ্য দপ্তরের।
টানা ১২ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই আলিপুরদুয়ার ২ ব্লকের বাকলা সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে। গাড়িতে লেগে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিদ্যুৎপরিবাহী তার ছিড়ে যাওয়ার কারণেই বিপত্তি ঘটেছে। সেই বিদ্যুতের লাইন মেরামত করার জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরে কর্মীরা এসেছিলেন। সার্ভিস তার সহ অন্যান্য কিছু সামগ্রী কিনে আনার জন্য তারা একটি লিস্ট দিয়েছেন। কিন্তু ১২ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখনও হয়নি বিদ্যুতের সংযোগ। জানা গিয়েছে, প্রয়োজন মাত্র ৮/১০ মিটার তারের। এই সামান্য তার কিনে দেওয়ারও লোক নেই সরকারি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। এই তার কেনার বরাদ্দও নেই। ফলে অন্ধকারেই ডুবে রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি।
বিদ্যুৎ না থাকার কারণে ফ্রিজ বন্ধ থাকায় সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওষুধ ও ভ্যাকসিন নষ্ট হতে বসেছে। জল নেই। শৌচালয় থেকে আসছে দুর্গন্ধ। এই ঘটনায় এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আলিপুরদুয়ারের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুমিত গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “ব্লক স্তর থেকে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু হয়নি। গাড়িতে লেগে ওই তার ছিড়ে গিয়েছে। আমরা দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে দেব।”
সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কম্যুনিটি হেলথ অফিসার অনিন্দিতা দাস বলেন, “বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা এসেছিলেন। সার্ভিস তার সহ অন্যান্য কিছু সামগ্রী কিনে আনার জন্য তারা একটি লিস্ট দিয়েছেন। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু বিদ্যুৎ না থাকায় নানান সমস্যা হচ্ছে। অন্ধকারে কাজ করতে অসুবিধে হচ্ছে। তবুও পরিষেবা দিচ্ছি আমরা।” এলাকার বাসিন্দা নিয়তি দাস বলেন, “একটা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ১২ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই এটা খুবই দুঃখজনক। দ্রুত সমস্যার সমাধান জরুরী”।
