বাগডোগরা: ‘বিজেপির (Bjp) আদিবাসী সাংসদের রক্ত দিয়ে তৃণমূলের কর্মীরা আজ মুখ্যমন্ত্রীকে বরণ করেছেন।’ বাগডোগরা বিমান বন্দরে এসে শংকর ঘোষ ও খগেন মুর্মুর উপর হামলার ঘটনায় এমনটাই বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharjee)। শমীক বলেন, ‘৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমনটা দেখিনি যে ত্রাণ দিতে গিয়ে কাউকে আক্রান্ত হতে হচ্ছে।’ শমীকের তোপ, ‘তৃণমূল কংগ্রেস উত্তরবঙ্গ বিরোধী। উত্তরবঙ্গের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। কোনও বাঁধের মেরামত হয়নি, লুট চলেছে, কাঠ-বালি-বোল্ডার সব এরা খেয়ে নিয়েছে।’ যারা হামলা চালিয়েছে, তাদের গ্রামে জল ঢোকেনি বলেও দাবি করেন শমীক ভট্টাচার্য। সমস্ত ঘটনার খবর প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি. রাজ্যে সংবিধানের শাসন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর।
উল্লেখ্য, আজ দুপুর নাগাদ নাগরাকাটার বামনডাঙ্গা চা বাগানে দুর্গতদের দেখতে যান বিজেপির উত্তর মালদার সাংসদ খগেন মুর্মু ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ (Shankar Ghosh)। কিন্তু সেখানে পৌঁছতেই তাদের উপর হামলা চালায় একদল লোক। শংকর ঘোষকে পেছন থেকে ধাক্কা মারা হয়, কিল-ঘুসিও চলতে থাকে। কোনও রকমে পালিয়ে গাড়িতে ওঠেন শংকর অন্যদিকে খগেন মুর্মুর (Khagen Murmu) মাথায় পাথর দিয়ে আঘাত করা হয়। তাদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। রক্তাপ্লুত হয়ে পড়েন খগেন। গুরুতর জখম অবস্থায় খগেন মুর্মুকে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে। জখম অবস্থায় চিকিৎসাধীন শংকর ঘোষও। বিজেপির সরাসরি অভিযোগ, হামলার পেছনে তৃণমূল কংগ্রেস রয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল বিষয়টিকে ‘জনরোষ’ বলে ব্যাখ্যা করেছে। শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীও।
