উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে (Vladimir Putin’s residence) ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন (Russia-Ukraine)। মস্কোর এই অভিযোগ সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্বজুড়ে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ইউক্রেন। এই হামলার কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রাশিয়া দিতে পারবে না বলেও দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু এরপরই পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার (Drone assault) ভিডিও প্রকাশ্যে আনল মস্কো।
বুধবার রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে ভিডিওগুলি প্রকাশ করা হয়। যার মধ্যে রয়েছে পুতিনের বাসভবনের সামনে ড্রোন হামলার সময়ের ফুটেজ। অন্য একটি ভিডিওতে তুষারে ঢাকা জঙ্গলে ভেঙে পড়া একটি ড্রোন দেখা গিয়েছে। সেই ড্রোনটিতে ৬ কেজি বিস্ফোরক ছিল বলে দাবি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক স্পষ্ট জানিয়েছে, এটি ছিল সুনির্দিষ্ট, পরিকল্পিত এবং ধাপে ধাপে চালানো আক্রমণ।
সম্প্রতি রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছিলেন, মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যে অবস্থিত নভগরদ এলাকায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। পুতিনের বাসভবনকে লক্ষ্য করে ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন ছোড়া হয়েছিল এবং সেগুলি গুলি করে নামানো হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন তিনি। এই ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাশাপাশি বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধানরা উদ্বেগপ্রকাশ করেছিলেন। এমনকি ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।
কিন্তু রাশিয়ার এই দাবিগুলিকে ভিত্তিহীন বলে খারিজ করেছিল ইউক্রেন। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এক বিবৃতিতে লিখেছিলেন, ‘রাশিয়া এখনও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে পুতিনের বাসভবনে হামলার অভিযোগের পক্ষে কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি। এবং পারবেও না। কারণ এমন কোনও প্রমাণ নেই। এমন কোনও হামলা ঘটেনি।’ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy) এই ঘটনাকে ‘শান্তি আলোচনা ব্যাহত করার চেষ্টা’ বলে অভিহিত করেছেন। কারণ যে সময়ে এই হামলা ঘটেছে সেই সময়ে ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন তিনি।
