বিশ্বজিৎ সরকার, রায়গঞ্জ: এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল রায়গঞ্জ (Raiganj) শহর সংলগ্ন সোহারই মোর এলাকার পুরনো জাতীয় সড়কের পাশে। এদিন ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে হাজির হন রায়গঞ্জ থানার আইসি, ডিএসপি সদর সহ জেলা পুলিশের কর্তারা।
পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ওই ব্যক্তির নাম জহুরুল মহম্মদ ওরফে ঝাঁপি (৫০)। সোহারই মোড় এলাকার একটি চালকলের (rice-mill) ম্যানেজার (supervisor) পদে কর্মরত ছিল সে। বাড়ি রায়গঞ্জ থানার কর্ণজোড়া ফাঁড়ির অন্তর্গত পিরোজপুর এলাকায়।
মৃতের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল সকালে কর্মক্ষেত্রে গেলেও আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। বিকেল চারটা নাগাদ পুলিশ মারফত খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে মৃতদেহ শনাক্ত করে। এরপর মৃতদেহ উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পাঠালে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
ঘটনা প্রসঙ্গে মৃত ব্যক্তির ভাই ইদু মহম্মদ বলেন, “গতকাল সকালে আমার দাদা সোহারই মোড় এলাকায় চালকলের উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। মাঝেমধ্যেই কাজের চাপ থাকলে চালকলেই থেকে যায়, আমরা ভেবেছিলাম সেখানেই রয়েছে। রবিবার বিকেল চারটা নাগাদ পুলিশ মারফত খবর পাই আমার দাদার মৃতদেহ পুরনো জাতীয় সড়কের ধারে জঙ্গলের পাশে পড়ে রয়েছে। বাইকটি স্ট্যান্ড করানো রয়েছে। আমাদের সন্দেহ আমার দাদাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করুক।” এই বিষয়ে রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ডাঃ সোনাওয়ানে কুলদীপ সুরেশ বলেন, “ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরেই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।”
