উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: শীতকালীন বাজারের থলিতে রঙিন সবজির ভিড়ে সাদা মুলো (Radish) স্বাস্থ্যের জন্য এক আশীর্বাদ। অথচ কেবল ‘গ্যাসের সমস্যা’ আর ‘উটকো গন্ধের’ ভয়ে অনেকেই এই উপকারী সবজিটিকে এড়িয়ে চলেন। পুষ্টিবিদদের মতে, মুলো পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন বি৬-এর ভাণ্ডার। উচ্চ মাত্রার ফাইবার এবং সালফার থাকায় এটি হজম হতে সময় নেয় এবং সঠিক নিয়মে না খেলে গ্যাস তৈরি করে। কিন্তু চিন্তা নেই, কিছু সহজ কৌশল মানলে গ্যাস ছাড়াই উপভোগ করতে পারবেন মুলোর স্বাদ।
আদা ও হিং-এর ব্যবহার: মুলো রান্নায় সামান্য হিং এবং আদা বাটা ব্যবহার করলে স্বাদেও বদল আসে এবং পেটে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা কমে।
নুন-জলের কারসাজি: কাঁচা মুলো খেলে গ্যাসের ভয় বেশি থাকে। তাই রান্নার আগে বা স্যালাড তৈরির আগে মুলো কুচিয়ে তাতে বিটনুন মাখিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর যে জল বেরোবে তা ফেলে দিয়ে ভালো করে ধুয়ে রান্না করুন। এতে গ্যাসের উদ্রেককারী উপাদান অনেকটাই বেরিয়ে যায়।
জোয়ানের জাদু: যদি মুলোর পরোটা খেতে ভালোবাসেন, তবে আটা মাখার সময় তাতে বেশ কিছুটা জোয়ান মিশিয়ে দিন। জোয়ান হজমে সাহায্য করে এবং পেটের অস্বস্তি কমায়।
খালি পেটে নৈব নৈব চ: কখনোই খালি পেটে বা রাতের খাবারে মুলো খাবেন না। দুপুরের খাবারে মাঝের দিকে মুলোর পদ রাখুন। এতে শরীর হজম করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।
সুতরাং, পুষ্টিগুণ বিসর্জন না দিয়ে বরং রান্নার ধরনে বদল আনুন। সঠিক নিয়মে খেলে মুলো হবে আপনার পরম বন্ধু, শত্রু নয়।
