Punch-kun | অবশেষে একাকীত্বের অবসান! যন্ত্রণার দিন কাটিয়ে আপনজন খুঁজে পেল খুদে বাঁদর ‘পাঞ্চ-কুন’

Punch-kun | অবশেষে একাকীত্বের অবসান! যন্ত্রণার দিন কাটিয়ে আপনজন খুঁজে পেল খুদে বাঁদর ‘পাঞ্চ-কুন’

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মা পরিত্যাগ করেছিল জন্মের পরেই। সঙ্গী বলতে ছিল শুধুমাত্র একটি সফট টয় বা খেলনা পুতুল। জাপানের ইচিহাওয়া সিটি জু-র (Ichikawa Metropolis Zoological and Botanical Gardens) সেই জনপ্রিয় বাঁদর ছানা ‘পাঞ্চ-কুন’ (Punch-kun) অবশেষে খুঁজে পেল ভালোবাসার কোল। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, নিজের দলেরই এক পূর্ণবয়স্ক বাঁদর পরম মমতায় জাপটে ধরেছে ছোট্ট পাঞ্চকে। এই আবেগঘন দৃশ্য দেখে আপ্লুত বিশ্বজুড়ে নেটিজেনরা।

খেলনা পুতুল থেকে প্রাণের উষ্ণতা
বেশ কিছুদিন ধরে ইন্টারনেটে পাঞ্চ-কুনের ভিডিও ভাইরাল হচ্ছিল। সেখানে দেখা গিয়েছিল, দলের অন্য সদস্যদের কাছে বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়ে একটি কমলা রঙের ওরাংওটাং পুতুলকে আঁকড়ে ধরে দিন কাটাত সে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ পেশি গঠন এবং মায়ের অভাব পূরণের জন্য তাকে ওই পুতুলটি দিয়েছিল। কিন্তু রক্তের সম্পর্কের উষ্ণতা যে খেলনায় পাওয়া যায় না, তা বারবার পাঞ্চের বিষণ্ণ চোখ দেখে বোঝা যেত।

অনসিং-এর আলিঙ্গন ও বদলে যাওয়া সমীকরণ

ভাইরাল হওয়া নতুন ভিডিওতে দেখা গেছে, ‘অনসিং’ (Onsing) নামের একটি পূর্ণবয়স্ক বাঁদর পাঞ্চকে নিজের বুকের কাছে টেনে নিয়ে গভীর আলিঙ্গনে আগলে রেখেছে। শুধু আলিঙ্গনই নয়, অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গেছে একটি বড় বাঁদর পাঞ্চের গা পরিষ্কার (Grooming) করে দিচ্ছে। প্রাইমেট বা বানর প্রজাতির মধ্যে এই ‘গ্রুমিং’ হল বিশ্বাস স্থাপন এবং সামাজিক বন্ধন মজবুত করার প্রধান ভাষা।

অতীতের সংঘাত ও চিড়িয়াখানার ব্যাখ্যা
গত ২০ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ইচিহাওয়া সিটি জু একটি বিবৃতিতে জানায় যে, পাঞ্চের এই যাত্রা মোটেও সহজ ছিল না। দলের অন্য এক বাঁদর ছানার সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে তাকে বারবার লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। মা বাঁদররা নিজেদের সন্তানদের রক্ষা করতে গিয়ে পাঞ্চকে বারবার তাড়িয়ে দিয়েছে, এমনকি তাকে টেনে-হিঁচড়ে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের মতে:”পাঞ্চকে এর আগে বহুবার অন্য বাঁদরদের বকুনি শুনতে হয়েছে। তবে এর মাধ্যমেই সে বুঝতে শিখেছে কীভাবে দলের মধ্যে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে হয়।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগের জোয়ার
এক্স (X) হ্যান্ডেলে একজন লিখেছেন, “আমি জানতাম না যে একটি বাঁদরর আলিঙ্গন দেখে আমি এভাবে কেঁদে ফেলব।” অন্য একজন লিখেছেন, “গতকাল দিনটা কঠিন ছিল, কিন্তু আজকের এই দৃশ্য যেন সব ক্ষত সারিয়ে দিল। পাঞ্চ, তুমি আজীবন ভালো থেকো।” বর্তমানে পাঞ্চ-কুন আর একাকী নয়। ধীরে ধীরে দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে তার সখ্যতা বাড়ছে, যা বন্যপ্রাণী প্রেমীদের কাছে এক বড় প্রাপ্তি।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *