PM Narendra Mo‌di | ‘শান্তি ও প্রগতির লক্ষে একযোগে কাজ করব’, তারেককে ফোনে বার্তা মোদির

PM Narendra Mo‌di | ‘শান্তি ও প্রগতির লক্ষে একযোগে কাজ করব’, তারেককে ফোনে বার্তা মোদির

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ৫ আগস্ট, ২০২৪-এর ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়েছিল ঢাকার রাজনীতির (Dhaka Politics) আঙিনা। শেখ হাসিনার প্রস্থান এবং পরবর্তী দেড় বছরে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে যে ‘শীতলতা’ নেমে এসেছিল, শুক্রবার তা কাটানোর বড়সড় ইঙ্গিত মিলল। আওয়ামি লিগহীন বাংলাদেশে বিএনপির বিপুল জয়ে হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ফোন করে নরেন্দ্র মোদী (PM Narendra Modi) বুঝিয়ে দিলেন, অতীত আঁকড়ে না থেকে বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই ‘প্রতিবেশী প্রথম’ (Neighborhood First Coverage) নীতিতে এগোতে চায় দিল্লি।

দিল্লির স্ট্র্যাটেজিক শিফট

২০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি। ৩০০ আসনের মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে জয় নিশ্চিত করে খালেদা-পুত্র তারেক রহমান এখন ঢাকার মসনদে বসার অপেক্ষায়। জামায়াত-ই-ইসলামী ৭৫টি আসন পেলেও, বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় দিল্লির সাউথ ব্লকে স্বস্তির নিঃশ্বাস। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একটি কট্টরপন্থী বা সেনানিয়ন্ত্রিত সরকারের চেয়ে, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চালানো ভারতের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক। ঠিক এই জায়গাতেই মোদীর ফোন কলটিকে ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বলে মনে করা হচ্ছে।

কী কথা হলো দুই নেতার?

এদিন সকালে প্রথমে এক্স হ্যান্ডেলে (সাবেক টুইটার) বাংলা ও ইংরেজিতে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান মোদী। কিন্তু কূটনীতিতে ব্যক্তিগত সংযোগই শেষ কথা। তাই দুপুরে সরাসরি ফোন করেন তারেককে। মোদী লিখেছেন, “মিস্টার তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত। বাংলাদেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে তাঁর প্রচেষ্টাকে ভারত পূর্ণ সমর্থন করবে।” ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরা তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদী মনে করিয়ে দিয়েছেন দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা। জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও এই শুভেচ্ছাকে স্বাগত জানানো হয়েছে।

আওয়ামি-শূন্য মাঠ ও নতুন সমীকরণ

মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে পাকিস্তানের সঙ্গে ঢাকার ঘনিষ্ঠতা ভারতের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। কিন্তু নির্বাচনে বিএনপির এই ‘নির্ণায়ক বিজয়’ সমীকরণ বদলে দিতে পারে। আওয়ামি লিগ নির্বাচনে নিষিদ্ধ থাকায় বিএনপি কার্যত ফাঁকা মাঠে গোল দিয়েছে। কিন্তু ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল—হাসিনা-বিহীন বাংলাদেশে নতুন মিত্র খোঁজা। মোদীর এই উদ্যোগ প্রমাণ করে, ভারত সরকার বিএনপির সঙ্গে নতুন করে সম্পর্কের সেতু বাঁধতে প্রস্তুত। শান্তি, প্রগতি এবং সমৃদ্ধির স্বার্থে দুই দেশ ভবিষ্যতে একযোগে কাজ করবে—মোদীর এই বার্তা ঢাকার নতুন শাসকদের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *