উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালি মানেই শেষমেশ ডাল-ভাতে তুষ্টি। পেটের গোলযোগ হোক বা অফিসের ব্যস্ততা, এক থালা গরম ডাল-ভাত যেন পরম তৃপ্তি। তবে এই সাধারণ খাবারটিকেও আরও স্বাস্থ্যকর ও সুষম করে তোলা সম্ভব। সামান্য কিছু অভ্যাসের রদবদল করলে সাধারণ ডাল-ভাতও হয়ে উঠতে পারে পুষ্টির খনি (Nutritious Dal Chawal)। জেনে নিন ডাল-ভাতকে আরও পুষ্টিকর করার কিছু জাদুকরী উপায়:
ডাল ভেজানোর অভ্যাস
ডাল দ্রুত সেদ্ধ করার জন্য নয়, বরং পুষ্টি নিশ্চিত করতে রান্নার আগে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এতে ডালের ‘অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট’ কমে যায়, ফলে শরীর সহজেই পুষ্টি শোষণ করতে পারে এবং গ্যাসের সমস্যা হয় না।
সবজির মেলবন্ধন
ডাল রান্নার সময় তাতে পালং শাক, লাউ, গাজর, টমেটো বা কড়াইশুঁটি যোগ করুন। এর ফলে একই সঙ্গে ভিটামিন, খনিজ এবং প্রচুর পরিমাণে ফাইবার পাওয়া যায়, যা ডায়েটকে সম্পূর্ণ করে।
ফোড়ন
ডাল সেদ্ধ হয়ে গেলে ঘি, জিরে, রসুন, হিং বা কাঁচা লংকার ফোড়ন দিন। এটি কেবল স্বাদ বাড়ায় না, বরং ডালের পুষ্টি শরীরকে গ্রহণ করতে সাহায্য করে এবং হজম প্রক্রিয়া সহজ করে।
প্রোবায়োটিকের ছোঁয়া
খাবারের পাতে এক বাটি টক দই বা এক গ্লাস ঘোল রাখুন। বিশেষ করে গরমের দিনে ডাল-ভাতের সঙ্গে এই প্রোবায়োটিক খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায় এবং হজমশক্তি বাড়াতে অব্যর্থ।
ভাজার বদলে স্যালাড
ডাল-ভাতের সঙ্গে আলুভাজা বা আচারের বদলে এক বাটি অঙ্কুরিত মুগ বা কাঁচা সবজির স্যালাড রাখুন। সামান্য লেবুর রস ও গোলমরিচ মিশিয়ে নিলে প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের মাত্রা দ্বিগুণ বেড়ে যাবে।
