Narendra Modi | এনসিইআরটি বই বিতর্ক প্রবল ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী! নজরদারি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

Narendra Modi | এনসিইআরটি বই বিতর্ক প্রবল ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী! নজরদারি প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক:  দেশের বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি সংক্রান্ত অধ্যায় নিয়ে নজিরবিহীন বিতর্ক। এনসিইআরটি (NCERT)-র অষ্টম শ্রেণীর সমাজবিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক ‘এক্সপ্লোরিং সোসাইটি: ইন্ডিয়া অ্যান্ড বিয়ন্ড (ভলিউম II)’—র প্রকাশ, পুনঃমুদ্রণ এবং ডিজিটাল প্রচারের ওপর অবিলম্বে ‘সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা’ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court docket bans NCERT ebook)। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চের স্পষ্ট বার্তা, “বিচারব্যবস্থা রক্তক্ষরণ করছে।”

 আদালতের নজিরবিহীন কড়া অবস্থান:

একটি সংবাদপত্রের খবরের ভিত্তিতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা গ্রহণ করে আদালত। শুনানির সময় বেঞ্চ মন্তব্য করে, এটি একটি “গভীর ষড়যন্ত্র” এবং বিচারব্যবস্থার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার “পরিকল্পিত পদক্ষেপ।” NCERT-র ডিরেক্টর এবং স্কুল শিক্ষা দপ্তরের সচিবকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়েছে। আদালত সতর্ক করেছে, এই বিষয় কোমলমতি পড়ুয়াদের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে এবং বিচার বিভাগের ওপর জনগনের আস্থা কমিয়ে দিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ:

সূত্রের খবর, এর আগেই মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয় নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi sad with NCERT)। তিনি প্রশ্ন তোলেন, অষ্টম শ্রেণীর শিশুদের আমরা বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি সম্পর্কে কী শেখাচ্ছি? এই ধরনের বিষয়বস্তু ক্লাসরুমে পৌঁছানোর আগে কারা তা যাচাই ও অনুমোদন করছে, সেই নজরদারি প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

সরকারের ক্ষমা প্রার্থনা ও অধ্যায় পুনর্লিখন:

আদালতের তীব্র ভর্ৎসনার মুখে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি জানান, ইতিমধ্যে বাজারে যাওয়া ৩২টি বই প্রত্যাহার করা হচ্ছে। যে দুজন ব্যক্তি এই অধ্যায়টি তৈরি করেছিলেন, তাঁদের মন্ত্রকের কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনসিইআরটিও এই “অনুপযুক্ত বিষয়বস্তুর” জন্য ক্ষমা চেয়ে অধ্যায়টি নতুন টিমের মাধ্যমে পুনর্লিখনের আশ্বাস দিয়েছে। আগামী ১১ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। তবে এই ঘটনা শিক্ষাক্ষেত্রে পাঠ্যক্রম তৈরির স্বচ্ছতা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলির মর্যাদা রক্ষার ভারসাম্য নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *