MM Naravane Memoir Controversy | নরভানের অপ্রকাশিত বই হাতে সংসদে রাহুল! তড়িঘড়ি এফআইআর করল দিল্লি পুলিশ

MM Naravane Memoir Controversy | নরভানের অপ্রকাশিত বই হাতে সংসদে রাহুল! তড়িঘড়ি এফআইআর করল দিল্লি পুলিশ

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এম.এম. নরভানের অপ্রকাশিত আত্মজীবনী (MM Naravane Memoir Controversy) ‘ফোর স্টারস অফ ডেসটিনি’ (4 Stars of Future) ঘিরে ২০২৬ সালের রাজনীতিতে এক টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যে বইটির প্রকাশনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (MoD) আপত্তিতে ২০২৪ সাল থেকে থমকে আছে, সেই বইয়ের একটি ঝকঝকে হার্ডকভার কপি খোদ সংসদ ভবনে রাহুল গান্ধীর হাতে দেখা যাওয়ায় শোরগোল পড়ে গেছে দেশজুড়ে। শেষ পর্যন্ত বইটি ছড়িয়ে পড়ায় দিল্লি পুলিশের তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

নরভানের ‘নিষিদ্ধ’ বই রাহুলের হাতে: গোয়েন্দা ব্যর্থতা নাকি নবান্ন-দিল্লি সংঘাতের নতুন ছায়া?

বিতর্কের সূত্রপাত বাজেট অধিবেশন চলাকালীন। লোকসভায় দাঁড়িয়ে রাহুল গান্ধি একটি ম্যাগাজিনের নিবন্ধ থেকে অগ্নিবীর প্রকল্প ও লাদাখ সীমান্ত নিয়ে জেনারেল নরভানের বিস্ফোরক সব পর্যবেক্ষণ পড়ে শোনান। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং পালটা প্রশ্ন তোলেন, “বইটি কি আদেও প্রকাশিত হয়েছে? না হলে অপ্রকাশিত খসড়া থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া অনুচিত।” এর ঠিক দু’দিন পরই রাহুল গান্ধি সংসদের বাইরে বইটির একটি মুদ্রিত কপি উঁচিয়ে ধরেন এবং জানান তিনি এটি প্রধানমন্ত্রীকে ‘উপহার’ দিতে চান।

রহস্যের কেন্দ্রে প্রকাশনা ও পাণ্ডুলিপি

সাধারণত সেনাসংশ্লিষ্ট বই প্রকাশের আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দীর্ঘ স্ক্রুটিনির প্রয়োজন হয়। গত পাঁচ বছরে ৩৫টি বই ছাড়পত্র পেলেও নরভানের বইটি কেন ঝুলে আছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তদন্তে জানা গেছে, ২০২৪ সালের এপ্রিলে মুক্তির আগে দিল্লির কিছু বইয়ের দোকানে এই কপিগুলি পৌঁছে গিয়েছিল, যা পরে বিতর্ক দানা বাঁধলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। প্রশ্ন উঠছে, মন্ত্রকের চূড়ান্ত ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই কি প্রকাশনা সংস্থা ‘পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস’ বইগুলি ছাপিয়ে ফেলেছিল? নাকি সরকারি অনুমোদন পাওয়ার পর তা পুনরায় প্রত্যাহার করা হয়েছে?

রাহুল গান্ধির এই চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ প্রমাণ করছে যে, সেনার অভ্যন্তরীণ তথ্য ও সরকারি নীতির সংঘাতের নথিপত্র এখন আর শুধু মন্ত্রকের ফাইলে সীমাবদ্ধ নেই। অগ্নিবীর প্রকল্প এবং চীন সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে প্রাক্তন সেনাপ্রধানের এই ‘অপ্রকাশিত’ সত্য এখন ভারতীয় রাজনীতির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *