বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি। পুলিশ সূত্রে খবর, তৃণমূলের ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের নাম করে ওই টাকা চাওয়া হয়। পুরুলিয়ার এক রাজনৈতিক দলের নেতা অভিযুক্তকে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু এরপরই তাঁর ভুল ভাঙে। বুঝতে পারেন, প্রতারিত হয়েছেন। সঙ্গে সঙ্গে শেক্সপিয়র সরণি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যক্তি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতারককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তির নাম রত্নদীপ মাহাতো। তাঁর সঙ্গে পুরুলিয়ার এক রাজনৈতিক কর্মীর যোগাযোগ হয়। রত্নদীপ নিজেকে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্মী বলে পরিচয় দেন। ওই রাজনৈতিক নেতাকে তিনি জানান, ওই সংস্থাটি বিধানসভা ভোটের টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। তার ক্ষমতা রয়েছে সংস্থার কর্তৃপক্ষকে রাজি করিয়ে কাউকে বিধানসভা ভোটের প্রার্থী করার। রাজনৈতিক কর্মী জানান, তিনি পুরুলিয়া জেলার কোনও এক বিধানসভা আসনে টিকিট পেতে চান। রত্নদীপ তাঁকে আশ্বাস দেন, সেই ব্যবস্থা হবে। তবে এর জন্য ৪০ লক্ষ টাকা লাগবে। তিনি রাজি হয়ে প্রথম দফায় রত্নদীপকে ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা দেন। এরপরও রত্নদীপ টাকা চাইতে থাকে। তাতেই সন্দেহ হয় নেতার।
আরও পড়ুন:
ধৃত ব্যক্তির নাম রত্নদীপ মাহাতো। তাঁর সঙ্গে পুরুলিয়ার এক রাজনৈতিক কর্মীর যোগাযোগ হয়। রত্নদীপ নিজেকে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের কর্মী বলে পরিচয় দেন। ওই রাজনৈতিক নেতাকে তিনি জানান, ওই সংস্থাটি বিধানসভা ভোটের টিকিট দেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। তার ক্ষমতা রয়েছে সংস্থার কর্তৃপক্ষকে রাজি করিয়ে কাউকে বিধানসভা ভোটের প্রার্থী করার। রাজনৈতিক কর্মী জানান, তিনি পুরুলিয়া জেলার কোনও এক বিধানসভা আসনে টিকিট পেতে চান। রত্নদীপ তাঁকে আশ্বাস দেন, সেই ব্যবস্থা হবে। তবে এর জন্য ৪০ লক্ষ টাকা লাগবে।
কয়েকজন পরিচিতর সঙ্গে কথা বলার পর ওই নেতা জানতে পারেন যে, নিজের ভুয়ো পরিচয় দিয়ে টাকা হাতিয়েছে রত্নদীপ। ওই ব্যক্তি কলকাতায় এসে ওই ভোটকুশলী সংস্থায় যোগাযোগ করেন। এরপরই তিনি নিশ্চিত হন যে, ভুয়ো পরিচয় দিয়ে টাকা হাতিয়েছে ওই অভিযুক্ত। সঙ্গে সঙ্গে তিনি শেক্সপিয়র সরণি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে পুরুলিয়ায় হানা দেয়। তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাকে জেরা করে বাকিদের সন্ধান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
