Kumargram | বিডিওহীন কুমারগ্রাম ব্লক

Kumargram | বিডিওহীন কুমারগ্রাম ব্লক

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


নৃসিংহপ্রসাদ গঙ্গোপাধ্যায়, কুমারগ্রাম: মাসচারেক আগেও কুমারগ্রাম (Kumargram) ব্লকে স্থায়ী বিডিও এবং দুজন জয়েন্ট বিডিও ছিলেন। আর এখন শুধুমাত্র একজন ভারপ্রাপ্ত বিডিও দিয়ে চলছে কুমারগ্রাম ব্লকের যাবতীয় কাজকর্ম। গত জুলাই মাসে সিনিয়ার জয়েন্ট বিডিও সুভাষ মণ্ডল কুমারগ্রাম বিডিও অফিস থেকে বদলি হয়ে হাওড়া জেলার জগতবল্লভপুর বিডিও অফিসে চলে গিয়েছেন। আর চলতি মাসের ২ তারিখ জুনিয়ার জয়েন্ট বিডিও সৌমব্রত সরকারকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে কুমারগ্রাম ছেড়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকে চলে গিয়েছেন বিডিও রজতকুমার বলিদা। পরিবর্তে নতুন বিডিও শুক্রবার অবধি কাজে যোগ দেননি। বিগত ২৬ দিন ধরে কার্যত একাই সব দায়দায়িত্ব সামলাচ্ছেন সৌমব্রত। অফিস সামলাচ্ছেন। সরকারি নানা কাজে তাঁকে ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতে ছুটতে হচ্ছে। কাজের চাপে তিনি বেশিরভাগ সময় বিডিও অফিসের বাইরে থাকায় অনেকেই ঠিকঠাক পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ব্লক অফিস সূত্রে জানা গিয়েছে, যুগ্ম বিডিও সৌমব্রত সরকারের কাঁধে ভারপ্রাপ্ত বিডিও’র দায়িত্ব ছাড়াও অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটানিং অফিসার (এআরও) এবং ইলেকশন ওসির দায়িত্বও রয়েছে। এখন এসআইআর ফর্ম সংগ্রহ এবং ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে। যে কারণে তাঁকে প্রায়শই বিডিও অফিসের বাইরে যেতে হচ্ছে। শুক্রবার গিয়ে শোনা গেল ভারপ্রাপ্ত বিডিও এনকেএস গ্রাম পঞ্চায়েতে এসআইআর-এর কাজ পরিদর্শনে গিয়েছেন। ফলে নানা কাজে অফিসে এসে বিডিওকে না পেয়ে হতাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তের বাসিন্দাদের।

এই মুহূর্তে ওয়েসিস স্কলারশিপ ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। এসটি-এসসি ও ওবিসি ছাত্রছাত্রীদের এই স্কলারশিপ পেতে হলে বিডিও’র স্বাক্ষর করা ইনকাম সার্টিফিকেট জরুরি। এছাড়া ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট, রেসিডেনসিয়াল সার্টিফিকেট, লোকশিল্পীদের ভাতা পাওয়ার জন্য লাইফ সার্টিফিকেট এবং ইনকাম সার্টিফিকেট প্রয়োজন। এইসব শংসাপত্র জোগাড়ে হয়রান হতে হচ্ছে বাসিন্দাদের।

বারবিশা লস্করপাড়ার বাসিন্দা রঞ্জন সরকার বলেন, ‘আমার এক প্রতিবেশী বন্ধু দুরারোগ্য মারণ রোগে আক্রান্ত। এমন রোগীর চিকিৎসার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আর্থিক সাহায্য পাওয়া যায়। বিডিও অফিস থেকে কাগজপত্র নিয়ে গেলে এই সুবিধা মেলে। সেখানে গিয়ে কাউকে না পেয়ে আমাদের খালি হাতে ফিরতে হয়েছে।’ কাটাবাড়ির একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া শুভঙ্কর দাস ওয়েসিস স্কলারশিপের জন্য বিডিও অফিস থেকে ইনকাম সার্টিফিকেট আনতে গিয়েছিল। দু’দিন ঘোরার পর সার্টিফিকেট হাতে পেয়েছে সে।

এব্যাপারে জানতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের মহকুমা শাসক দেবব্রত রায় বলেন, ‘নবান্ন থেকে নির্দেশ চলে এসেছে। শীঘ্রই নতুন বিডিও কাজে যোগ দেবেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *