Khageswar Roy | রাজগঞ্জে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম খগেশ্বরের! প্রার্থী না বদলালে ‘চূড়ান্ত’ সিদ্ধান্তের হুঁশিয়ারি ৪ বারের বিধায়কের

Khageswar Roy | রাজগঞ্জে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম খগেশ্বরের! প্রার্থী না বদলালে ‘চূড়ান্ত’ সিদ্ধান্তের হুঁশিয়ারি ৪ বারের বিধায়কের

ভিডিও/VIDEO
Spread the love


জলপাইগুড়ি: ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে রাজগঞ্জ আসনে টিকিট না পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরাসরি বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন বর্ষীয়ান নেতা খগেশ্বর রায় (Khageswar Roy)। মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ পড়ার পর বুধবার আরও সুর চড়িয়েছেন তিনি। সাফ জানিয়েছেন, দলকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে প্রার্থী বদল না হলে আগামীকালই নিজের ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ নেবেন।

আইপ্যাক ও স্বপ্নার বিরুদ্ধে তোপ

খগেশ্বর রায়ের অভিযোগের তির সরাসরি প্রতীক জৈন-এর সংস্থা আইপ্যাক-এর দিকে। তাঁর দাবি, “আইপ্যাক টাকা খেয়ে আমার নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে।” রাজগঞ্জের নতুন প্রার্থী, অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণকেও একহাত নিয়েছেন তিনি। খগেশ্বরের মতে, “স্বপ্নাকে রাজগঞ্জের কেউ চেনে না। দু-একজন ছাড়া তাঁর নামও কেউ শোনেনি। এই কেন্দ্রে স্বপ্নার হার নিশ্চিত।” তিনি আরও দাবি করেন যে, দলের পক্ষ থেকে টিকিট পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল বলেই তিনি নির্বাচনী প্রচারে ইতিমধ্যেই কয়েক লক্ষ টাকা খরচ করে ফেলেছেন।

মুখ্যমন্ত্রী ও জেলাশাসকের ফোন?

খগেশ্বর রায়ের দাবি অনুযায়ী, তাঁর মান ভাঙাতে সক্রিয় হয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তিনি জানান, কোচবিহারের রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, আলিপুরদুয়ারের সৌরভ চক্রবর্তী, বিনয়কৃষ্ণ বর্মন ও অর্ঘ্য রায়প্রধানরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এদের অনেকেই দল ছাড়তে চেয়েছেন।  এমনকি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জলপাইগুড়ির জেলাশাসককে দিয়ে তাঁকে ফোন করিয়ে শান্ত থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন এই বিক্ষুব্ধ নেতা।

পদত্যাগ নিয়ে ধোঁয়াশা

টিকিট না পেয়ে খগেশ্বর রায় জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও, তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপ পুরো বিষয়টি উড়িয়ে দিয়েছেন। মহুয়াদেবী জানান, “কেউ আমার কাছে এখনও লিখিত পদত্যাগপত্র পাঠাননি। তাই তা গ্রহণ করা বা না করার প্রশ্নই ওঠে না।” খগেশ্বরের অনুগামীরা ক্যামেরার সামনে পদত্যাগের কথা বললেও বাস্তবে কোনও চিঠি না পাঠানোয় দলের অন্দরে জল্পনা বাড়ছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূল নেতৃত্ব খগেশ্বর রায়ের ক্ষোভ প্রশমন করতে পারে কি না, নাকি রাজগঞ্জে ‘নির্দল’ বা অন্য কোনও সমীকরণ তৈরি হয়—সেটাই এখন দেখার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *