Jalpaiguri | মাদক পাচার করতে গিয়ে সাসপেন্ড কারারক্ষী

Jalpaiguri | মাদক পাচার করতে গিয়ে সাসপেন্ড কারারক্ষী

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি সংশোধনাগারে দেশলাইয়ের বাক্সে মাদক পাচার (Drug trafficking) করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়লেন এক কারারক্ষী। ধ্রুবজ্যোতি চাকি নামে ওই কারারক্ষীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বছর ৪০-এর ওই কারারক্ষী জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) শহরের বাসিন্দা। সংশোধনাগারের তরফে জানা গিয়েছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ওই কারারক্ষীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ।

কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারে থাকা বন্দিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব যাঁদের হাতে সেই কারারক্ষীদের একজন মাদক পাচার করছিলেন সংশোধনাগারে৷ ফলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে কারা মহলেও। কীভাবে এই মাদক পাচার করছিলেন ওই কারারক্ষী? জানা গিয়েছে, মোটামুটি সাতটি শিফটে কাজ হয় কারারক্ষীদের৷ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার শিফট ছিল ধ্রুবজ্যোতির। প্রতিদিনের মতো এদিন ডিউটিতে ঢোকার সময় গেটের দায়িত্ব থাকা জেল পুলিশকর্মী তল্লাশি করতে গিয়ে ওই কারারক্ষীর পকেটে একটি দেশলাইয়ের বাক্স পান। সেই বাক্স খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সকলেরই। দেখা যায় পকেটে থাকা দেশলাই বাক্সে কোনও কাঠি নেই, আছে মাদক।

জলপাইগুড়ি কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, কড়া পাহারার কারণে ওই কারারক্ষী মাদক পাচার করতে সক্ষম হননি। তবে, তৎক্ষণাৎ পুরো বিষয়টি জানানো হয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে৷ নির্দেশের পর সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই কারারক্ষীকে। তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

সংশোধনাগারে মাদক পাচার কোনও নতুন ঘটনা নয়। উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে সংশোধনাগারের ভেতরে মাদক পাচার করতে গিয়ে ধরা পড়েছিলেন এক কারারক্ষী। মাদকের পরিমাণ বেশি থাকায় সেই সময় তঁাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল জেল কর্তৃপক্ষ। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শিলিগুড়ির বিশেষ সংশোধনাগারের মোবারক আলি নামে এক কারারক্ষীর গাড়ি ও কোয়ার্টার থেকে মাদক উদ্ধার হয়েছিল। গ্রেপ্তারের পর তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তদন্তকারী অফিসাররা জানতে পেরেছিলেন জলপাইগুড়ির সঙ্গে লিংক রয়েছে ওই মাদক কারবারির।

সম্প্রতি কোতোয়ালি থানার পুলিশের তরফে লাগাতার অভিযান চালানো হয় মাদকের বিরুদ্ধে। তা এখনও জারি রয়েছে৷ শহরে মাদকের কারবার ভয়াবহ আকার নেওয়ায় কাউন্সিলাররাও অভিযানে নামার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু এরই মধ্যে জলপাইগুড়ির বাসিন্দা সেই কারারক্ষীর কাছ থেকে মাদক পাওয়ায় শহরের মাদক কারবারের জাল কতদূর ছড়িয়েছে, তা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে পুলিশের। প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি সংশোধনাগারের ভেতরে এর আগেও মাদক পৌঁছে দিয়েছেন ওই কারারক্ষী? কতজন বন্দির কাছে তা সাপ্লাই করা হয়েছে। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সমস্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *