সাইরেনের শব্দ যেন এখনও কানে ভাসছে। মাঝেমধ্যেই মিসাইলের দ্রুত যাতায়াত ভেসে উঠছে চোখের সামনে। যুদ্ধের আগুনে পুড়তে থাকা মধ্যপ্রাচ্যে দিন দুই আটকে থাকার পর মঙ্গলবার কোনওক্রমে স্বদেশে ফিরেও আতঙ্কে শিউরে উঠছেন যাত্রীরা। এদিন দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তাঁদের বেশিরভাগই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে বললেন, ”মাঝ আকাশেও ভয়ে সিঁটিয়ে ছিলাম। এখন ফিরেও আতঙ্ক কাটছে না। আসলে নিজের বাড়িতে ফেরার মতো অনুভূতি আর কিছু হয় না।”
এই বিষয়ে আরও খবর
শনিবার থেকে ইরান-ইজরায়েলের মধ্যে পুরোদমে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে আশপাশের সমস্ত দেশের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার জেরে মধ্যপ্রাচ্যের অর্ধেক দেশই আকাশপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। একের পর এক বিমান সংস্থা উড়ান পরিষেবা বাতিল করে দেয়। যাঁরা বেড়াতে বা কোন কাজে ইরান-সহ বিভিন্ন দেশে গিয়েছিলেন, তাঁরা আটকে পড়েন। এ তো যেমনতেমন আটকে পড়া নয়। একেবারে রণাঙ্গনের মাঝে অসহায়ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা। মনে মনে শুধু একটাই প্রার্থনা, যেন দ্রুত দেশে ফিরতে পারি। এই তালিকায় যেমন সেলেব্রিটিরা রয়েছেন, তেমনই রয়েছেন এদেশের সাধারণ বাসিন্দারাও। আচমকা যুদ্ধ বেঁধে যাওয়ায় সকলে একসারির পথিক।
#WATCH | Delhi: A passenger, who arrived at IGI Airport from Riyadh, says, “99% flights are cancelled. I’m fortunate that I’ve been capable of attain right here. I’m from Kannur, Kerala. The journey was protected. The state of affairs is harmful. I booked 4 flights however all had been cancelled…” pic.twitter.com/QjeN66SkR8
— ANI (@ANI) March 3, 2026
#WATCH | Delhi: A passenger, who arrived at IGI Airport from Riyadh, says, “The state of affairs in Riyadh is nice as of now. The flight was good…” pic.twitter.com/3IqmeveHaz
— ANI (@ANI) March 3, 2026
পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় মঙ্গলবার সকাল থেকে এয়ার ইন্ডিয়া আংশিকভাবে বিমান পরিষেবা চালু করে। তাতে একটি বিমানে দুবাই থেকে দেশে ফিরতে পেরেছেন অন্তত ১৫০ জন। এর মধ্যে রয়েছেন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় পিভি সিন্ধু, বলিউড নায়িকা ইশা গুপ্তা। দুবাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামা পীযুষ পল্লভ, নীতা শর্মা, সঞ্জীবরা জানাচ্ছেন, ”ফোনে ক্রমাগত অ্যালার্ট আসছিল। মাঝেমধ্যে সাইরেনের শব্দে বুঝতে পারছিলাম, মিসাইল ছোড়া হয়েছে, কোথাও ধ্বংসলীলা চলছে। শুধু ভাবছিলাম, কখন এই অবস্থা থেকে বেরব। আপনার পকেটে যথেষ্ট অর্থ না থাকলে এই পরিস্থিতি সামলানো কঠিন।” স্বদেশে ফিরেও আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না। যেমন অভিজ্ঞতা হল, সেই রেশ কাটাতে বেশ খানিকটা সময় লাগবে।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
