Indian killed in Riyadh | সৌদিতে আরও এক ভারতীয়র প্রাণহানি, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা, ঘনীভূত হচ্ছে সংকট

Indian killed in Riyadh | সৌদিতে আরও এক ভারতীয়র প্রাণহানি, মধ্যপ্রাচ্যে বাড়ছে উত্তেজনা, ঘনীভূত হচ্ছে সংকট

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের আগুন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। প্রাণ হারাচ্ছেন সাধারণ মানুষ, যার আঁচ থেকে রেহাই পাচ্ছে না ভারতীয় নাগরিকরাও। সৌদি আরবে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রিয়াধে (Riyadh) আরও এক ভারতীয় নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যু (Indian killed in Riyadh) হয়েছে। ১৮ মার্চের রহস্যময় এক ঘটনার জেরে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক খবর। এই নিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান সংঘর্ষের আবহে নিহত ভারতীয়ের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬-এ।
সৌদি আরবের ভারতীয় দূতাবাস সমাজমাধ্যমে লিখেছে, “রিয়াধে ১৮ মার্চের ঘটনাবলির জেরে ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।” তবে সেই দিন ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে দূতাবাস এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি। উল্লেখ্য, ওই দিনই রিয়াধের বাসিন্দাদের জন্য একটি বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছিল এবং ভারতীয় প্রবাসীদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলার সেই বার্তার মাঝেই এই মৃত্যুর খবর ভারতের উদ্বেগকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের সহকারী সচিব আসিম মহারাজন জানিয়েছেন, নিহত নাগরিকের দেহাবশেষ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে দূতাবাস। তবে কেবল মৃত্যু নয়, এখনও পশ্চিম এশিয়ায় এক ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁর সন্ধানে ওমান, সৌদি আরব, ইরাক ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিরন্তর কূটনৈতিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত সরকার।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলি বাহিনীর ইরান (Iran-Israel-US battle) আক্রমণের পর থেকেই পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর তেহরানের প্রত্যাঘাত এবং মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা গোটা অঞ্চলকে রণক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি লক্ষ্য করে ইরানের ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *