India creates numerous data in last

India creates numerous data in last

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষান। টিম ইন্ডিয়ার টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারেরই হাফ সেঞ্চুরি। এর মধ্যে আবার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন সঞ্জু এবং অভিষেক। দল হিসাবে টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ রান করার নজিরও গড়ল ভারত। কিন্তু এতকিছুর পরও যেন কোথাও একটা আক্ষেপ থেকে গেল।

এই বিষয়ে আরও খবর

আগে বলা যাক, ভারতীয় সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের কারণগুলি। এক ফাইনালে ২৫৫ রান। চলতি টি-২০ বিশ্বকাপের এটা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। মজার কথা হল বিশ্বকাপের সর্বাধিক তিন স্কোরের দুটিই ভারতের দখলে। সুপার এইটে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ২৫৬ রান তুলে চমকে দিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে ২৫৫ রান তুললেন সঞ্জু স্যামসনরা। তৃতীয় স্থানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাঁরা জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে করে ২৫৪। ভারত আবার সেমিফাইনালে করেছিল ২৫৩ রান। উচ্ছ্বাসের দ্বিতীয় কারণ, টিম ইন্ডিয়া বিশ্বকাপ ফাইনালে এযাবৎকালের সর্বাধিক রান তুলল। এর আগে ২০২৪ ফাইনালে এই ভারতই তুলেছিল ১৭৭ রান।

উচ্ছ্বাসের তৃতীয় কারণ, মাত্র ১৮ বলে সেঞ্চুরি করলেন অভিষেক শর্মা। চলতি বিশ্বকাপে এটাই দ্রুততম। এর আগে ৩ ব্যাটার ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন। উচ্ছ্বাসের চতুর্থ কারণ, সঞ্জু স্যামসনের রেকর্ড। তিনি যে ৮৯ রানের ইনিংস খেললেন, সেটাই বিশ্বকাপ ফাইনালে কোনও ব্যাটারের করা সর্বাধিক রান। এর আগে মার্লন স্যামুয়েলস ২০১৬ সালে করেছিলেন ৮৫ রান। ফাইনালে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বাধিক স্কোর ছিল বিরাট কোহলির। ২০১৪ সালে তিনি করেছিলেন ৭৭ রান। সেই ম্যাচ ভারত হারে। খুশির আরও একটা কারণ আছে। ফাইনালে ভারত চলতি টুর্নামেন্টে ছক্কার সেঞ্চুরিও হাঁকিয়ে ফেলল। যা এর আগে আর কোনও দল করেনি। এর আগে ফাইনালে ১৮টি ছক্কাও কোনও দল মারেনি।

এবার আসা যাক আক্ষেপের কারণগুলির দিকে। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সম্প্রচার করা হচ্ছিল, কোনও এক ম্যাচে ভারত ৩০০ তুলবে! আহমেদাবাদে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালের দিন মনে হচ্ছিল, হয়তো সেই বিজ্ঞাপনটা এতদিনে সার্থক হতে পারে। অভিষেক-সঞ্জু-ঈশানরা যেভাবে ঝড় তুলেছিলেন, তাতে অন্তত ৩০০-র কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারত। কিন্তু সেটা হল না। জিমি নিসামের একটা ওভারের দৌলতে অনেকটা আগেইম থামল টিম ইন্ডিয়া। এমনকী, চলতি বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বাধিক স্কোরটাও করে উঠতে পারল না টিম ইন্ডিয়া। আক্ষেপ সঞ্জুকে নিয়েও রইল। পরপর তিন ইনিংসে দুর্দান্ত খেলে সেঞ্চুরির কাছে গেলেন তিনি। রবিবারের মেগা ফাইনালে সুবর্ণ সুযোগ ছিল দ্বিতীয় ভারতীয় হিসাবে বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি হাঁকানোর। সেটাও হল না। আক্ষেপ আরও একটা রয়েছে। সম্ভাবনা ছিল, স্রেফ ব্যাট করেই এই ফাইনাল থেকে কিউয়িদের ছিটকে দেওয়ার। কিন্তু সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বোলিং দেখার পর, সেটা ভারত করতে পেরেছে কিনা তা নিয়ে সংশয় রয়ে গেল।

এই বিষয়ে আরও খবর

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *