India begins its World Cup marketing campaign with a win towards America

India begins its World Cup marketing campaign with a win towards America

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


ভারত: ১৬১/৯ (সূর্যকুমার ৮৪, তিলক ২৫, শাকউইক ২৫/৪, হরমিত ২৬/২)
আমেরিকা: ১৩২/৮ (শুভম ৩৭, সঞ্জয় ৩৭, সিরাজ ২৯/৩, অর্শদীপ ১৮/২)
২৯ রানে জয়ী ভারত। 

এই বিষয়ে আরও খবর

ভারতের শক্তিশেল থেকে বাঁচতে পালটা শক্তিশেলের প্রয়োজন। যা এই আমেরিকার নেই। ক্রিকেটে তারা শিক্ষানবীশ। তবে ম্যাচটা যতটা সহজ ভাবা হয়েছিল, তা হয়নি। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শেডলি ভ্যান শাকউইক নামের এক ‘নিরীহ’ মিডিয়াম পেসারের সামনে অসহায়ের মতো ধসে গেল ভারতের ব্যাটিং অর্ডার। তবে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের অবিশ্বাস্য ইনিংসের সৌজন্যে ১৬২ রানের লক্ষ্য রাখল টিম ইন্ডিয়া। জবাবে আমেরিকা থামল ৮ উইকেটে ১৩২ রানে। মার্কিন বাহিনীকে ২৯ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল টিম ইন্ডিয়া।

১৯ মাস আগে ব্রিজটাউনের সেই মায়াবী রাতের কথা এখনও গেঁথে আছে ভারতীয় সমর্থকদের মনে। মাঠের মাঝে তেরঙ্গা গেঁথে দেওয়ার দৃশ্যও এখনও সজীব। এমন দৃশ্য কি আবারও দেখা যাবে ৮ মার্চ? সেটা আগ বাড়িয়ে বলা কঠিন। তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের ব্যাপারে সূর্যকুমারের দল যে অন্যতম ফেভারিট, তা আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। ২০২৪ বিশ্বকাপের পর থেকে ভারত জিতেছে ৮৮ শতাংশ ম্যাচ। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে, বিশ্বজুড়ে ‘মস্তানি’ চালিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। তবে, আমেরিকার বিরুদ্ধে অভিযানের শুরুতেই মহাবিপর্যয়ের মুখে পড়ল ভারতীয় ব্যাটিং বিভাগ।

প্রথম ম্যাচে টসভাগ্য সহায় হল না সূর্যকুমার যাদবের। ভারতকে ব্যাট করতে পাঠালেন মার্কিন অধিনায়ক মোনাঙ্ক প্যাটেল। ২২ গজে ঝড় তোলার অপেক্ষায় ছিলেন অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, তিলক বর্মারা। কিন্তু কোথায় কী? ব্যাটিং অর্ডারের তাবড় তাবড় বড় নাম ব্যর্থ। তাঁদের একরোখা মনোভাবে কোথায় ত্রুটি হল, তা অবশ্য বোঝা গেল না। শুরুতেই কভারের উপর দিয়ে তুলে মারতে গিয়ে আলি খানের বলে সঞ্জয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ‘গোল্ডেন ডাক’ অভিষেকের। এরপর আগ্রাসী ব্যাটিং করছিলেন ঈশান কিষান, তিলক বর্মা। তবে ১৬ বলে ২০ রানে শেষ হল ঈশানের লড়াই। তিলক ফিরলেন ২৫ রানে। প্রথম বলে ফিরে গেলেন শিবম দুবেও। গত বিশ্বকাপের পর থেকে পাওয়ার প্লে-তে তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর করল ভারত। ৪ উইকেটে ৪৬।

এরপর শুরু আসা যাওয়ার পালা। একে একে ব্যর্থ হন শিবম দুবে (০), রিঙ্কু সিং (৬), হার্দিক পাণ্ডিয়া (৫), অক্ষর প্যাটেলরা (১৪)। একদিকে যখন পরপর উইকেট হারাতে থাকে টিম ইন্ডিয়া। তখনও মাটি কামড়ে পড়ে অধিনায়ক সূর্য। অক্ষরকে সঙ্গে নিয়ে একটি ছোট জুটিও গড়েন তিনি। পরে অর্শদীপের সঙ্গেও জুটি বাঁধার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত ভারত অধিনায়ক ৪৯ বলে ৮৪ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৯ উইকেটে ১৬১ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় বোলারদের সামনে সেভাবে কল্কে পায়নি আমেরিকা। ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং সহায়ক পিচের অন্যরকম আচরণ ততক্ষণে পরখ করেছে ভারত। কিন্তু তা দেখে শিক্ষা নিতে পারেনি মার্কিন ক্রিকেটাররা। দ্বিতীয় ওভারে আন্দ্রে গৌসকে ফেরান সিরাজ। ৬ রান করলেন গৌস। তৃতীয় ওভারে দ্বিতীয় উইকেট পড়ে আমেরিকার। অর্শদীপের বলে এলবিডব্লিউর শিকার মোনাঙ্ক (০)। এরপর আবারও জ্বলে উঠলেন সিরাজ। সাইতেজাকে মাত্র ২ রানে সাজঘরের রাস্তা দেখালেন তিনি। ১৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা মার্কিন ব্রিগেডকে চাপ মুক্ত করার দায়িত্ব নেন মিলিন্দ কুমার এবং সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি। তাঁদের জুটিতে ওঠে ৪৮ রান।

এই বিষয়ে আরও খবর

এরপর অদ্ভুত আউট হলেন মিলিন্দ। ঈশানের হাতে বল যাওয়ার পর ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এলেন। সহজেই তাঁকে স্টাম্প আউট করলেন ভারতীয় উইকেটকিপার। এরপর বড় শট মারতে গিয়ে ব্যক্তিগত ৩৭ রানের মাথায় ফিরলেন সঞ্জয়। রানের খাতা না খুলেই আউট অক্ষর। ৮ রানে ফিরলেন মহসিন। শেষ পর্যন্ত ১৩২ রানে থামল আমেরিকার ইনিংস। ২৯ রানে জিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল সূর্যকুমারের ভারত। শেষ বলে উইকেট নেওয়া সিরাজ পেলেন ৩ উইকেট। অর্শদীপ, অক্ষর প্যাটেলের সংগ্রহ দু’টি উইকেট। বরুণ চক্রবর্তী নিলেন ১ উইকেট। তবে আমেরিকার মতো দলের কাছে ভারতের ব্যাটিং পারফরম্যান্স চিন্তায় রাখবে টিম ম্যানেজমেন্টকে। 

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *