India-Bangladesh Relations | বরফ গলার ইঙ্গিত? তারেককে মোদীর আমন্ত্রণ, ঢাকায় ‘নতুন শুরু’র বার্তা নিয়ে ওম বিড়লা

India-Bangladesh Relations | বরফ গলার ইঙ্গিত? তারেককে মোদীর আমন্ত্রণ, ঢাকায় ‘নতুন শুরু’র বার্তা নিয়ে ওম বিড়লা

আন্তর্জাতিক INTERNATIONAL
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে তৈরি হওয়া কূটনৈতিক শীতলতা (India-Bangladesh Relations) কি অবশেষে কাটতে চলেছে? মঙ্গলবার ঢাকার মাটিতে দাঁড়িয়ে সেই ইঙ্গিতই দিলেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা (Om Birla)। বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি কেবল সৌজন্য বিনিময়ই করলেন না, বরং নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বাড়িয়ে দিলেন বন্ধুত্বের হাত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Mod) একটি বিশেষ চিঠি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন তিনি, যা দুই দেশের সম্পর্কের ‘রিসেট বাটন’ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মুম্বাইয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে মোদি নিজে ঢাকায় উপস্থিত হতে না পারলেও, ওম বিড়লার মাধ্যমে পাঠানো বার্তায় তিনি তারেক রহমানকে সপরিবারে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। চিঠিতে মোদি লিখেছেন, “বিএনপির এই জয়ে আপনাকে অভিনন্দন। ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ইতিহাস ও সংস্কৃতির শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে। আমরা আশাবাদী, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।” মোদি কেবল চিঠি দিয়েই ক্ষান্ত হননি, ওম বিড়লার উপস্থিতিতেই ফোনে কথা বলেন তারেক রহমানের সঙ্গে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানকেও।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গত কয়েক মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি দিল্লিকে চিন্তায় রেখেছিল। কিন্তু বিএনপির বিপুল জয়ের পর ভারত এখন ‘সতর্ক আশাবাদ’ (Cautious Optimism) নিয়ে এগোতে চাইছে। অতীতের বিএনপি সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপড়েন থাকলেও, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতায় তারেক রহমান অনেক বেশি বাস্তববাদী বা ‘প্র্যাগমেটিক’ হবেন বলেই মনে করছে সাউথ ব্লক।

ওম বিড়লা এদিন টুইট করে জানান, “গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়তে ভারত সর্বদা পাশে থাকবে।” অন্যদিকে, ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, দুই নেতাই মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে আশাবাদী। সব মিলিয়ে, তিস্তা থেকে বাণিজ্য—থমকে থাকা ইস্যুগুলো এবার নতুন গতি পাবে কি না, তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরই তার উত্তর দেবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *