I-PAC Case | সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের, ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের এফআইআরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ শীর্ষ আদালতের

I-PAC Case | সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের, ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের এফআইআরে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ শীর্ষ আদালতের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: আইপ্যাক কাণ্ডে (I-PAC Case) ইডি বনাম রাজ্যের সংঘাতে নয়া মোড়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পুলিশের দায়ের করা এফআইআরগুলির ওপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Courtroom) বিচারপতি প্রশান্তকুমার মিশ্র ও বিপুল পাঞ্চোলির ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত ইডির বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর করা যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণ রাজ্যের জন্য বড় ধাক্কা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। একই সঙ্গে তৃণমূলের তরফে কলকাতা হাইকোর্টেই (Calcutta Excessive Courtroom) মামলার শুনানি করার যে দাবি করা হয়েছিল তাও খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, মামলার আবেদনে যে বিষয় তুলে ধরা হয়েছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শীর্ষ আদালতই এর নিষ্পত্তি করতে চায়।

কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে কি হস্তক্ষেপ করতে পারে রাজ্য?

এদিন শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুতর প্রশ্ন তোলে। আদালত প্রশ্ন করে— ইডি বা অন্য কোনো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার স্বতন্ত্র তদন্তে রাজ্য কি হস্তক্ষেপ করতে পারে? এই বিষয়টি সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে শীর্ষ আদালত। কেন্দ্রীয় এজেন্সির কাজে বাধা দেওয়া বা পাল্টা চাপ সৃষ্টির প্রবণতা রুখতে সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আদালত মনে করছে কোনও রাজনৈতিক দলের কাজে তদন্তকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ যেমন ঠিক নয়, তেমনি কোনও তদন্তকারী সংস্থা নিয়ম মেনে তদন্ত করলে রাজ্যও তাকে বাধা দিতে পারে না।

তদন্তকারীদের ওপর চাপের রাজনীতি?

ইডির পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে দাবি করেন, কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকরা সৎ উদ্দেশ্যে এবং আইন মেনেই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিলেন। কোনও সরকারি কর্মচারী যখন তাঁর কর্তব্য পালন করছেন, তখন তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করা যায় না। মেহতার অভিযোগ, ইডি অফিসারদের মনোবল ভাঙতে এবং তাঁদের ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই এফআইআরগুলি করা হয়েছে।

সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ

এদিন বিচারপতিরা ওই দিনের সিসিটিভি ফুটেজ ও যাবতীয় নথি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মামলার সব পক্ষকে হলফনামা জমা দিতে হবে বলেও জানিয়েছেন বিচারপতিরা। শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও রাজ্যের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভির আর্জি নাকচ করে দিয়েছেন বিচারপতিরা। রাজ্যের তরফে ৩ সপ্তাহের সময় চাওয়া হলেও বিচারপতিরা ২ সপ্তাহের সময় দিয়েছেন। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *