HS Vocational Marksheet | ফল প্রকাশের পর দুই সপ্তাহ পার, মার্কশিট মেলেনি ভোকেশনাল পড়ুয়াদের

HS Vocational Marksheet | ফল প্রকাশের পর দুই সপ্তাহ পার, মার্কশিট মেলেনি ভোকেশনাল পড়ুয়াদের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


শুভজিৎ দত্ত, নাগরাকাটা: ফল প্রকাশের ১৫ দিন পরও উচ্চমাধ্যমিকের ভোকেশনাল কোর্সের পরীক্ষার্থীরা মার্কশিট ও শংসাপত্র হাতে পায়নি (HS Vocational Marksheet)। তবে অনলাইনে সফট কপি তারা ডাউনলোড করে নিতে পারছে। কী কারণে মার্কশিট পাঠাতে দেরি, তার কারণ অবশ্য স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিকের ভোকেশনাল কোর্সটি রাজ্যের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়ন সংসদের অধীনে। জলপাইগুড়ি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও ভোকেশনাল কোর্সের জলপাইগুড়ির নোডাল অফিসার ও কৌস্তভ দত্ত বলেন, ‘মার্কশিট এলেই তা ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’

১৬ মে ভোকেশনালের ফল প্রকাশিত হয়েছিল। সেদিন থেকেই অনলাইনে মার্কশিট পাওয়া যাচ্ছে। অনলাইনে ফল দেখা যাচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরেই উচ্চমাধ্যমিকের সাধারণ বিভাগের সঙ্গে ভোকেশনাল বিভাগের ফল প্রকাশিত হচ্ছিল। এবার উচ্চমাধ্যমিকের সাধারণ বিভাগের ফল প্রকাশিত হয় ৭ মে। বানারহাট হাইস্কুলে ভোকেশনাল কোর্স রয়েছে। সেখানকার প্রধান শিক্ষক সুকল্যাণ ভট্টাচার্য বলেন, ‘প্রতিবারই ফল প্রকাশের কয়েক দিন পর মার্কশিট চলে আসে। এবার অনলাইনে মার্কশিট ডাউনলোড করে তা দিয়ে আপাতত ছাত্রছাত্রীরা প্রয়োজনীয় কাজ চালিয়ে নিতে পারছে।’ গয়েরকাটা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক তপন দে সরকার বলেন, ‘আশা করছি পরীক্ষার্থীরা দ্রুত মার্কশিট পেয়ে যাবে।’

ভোকেশনাল শিক্ষার সঙ্গে জড়িতদের সংগঠন বৃত্তিমূলক শিক্ষক, প্রশিক্ষক ও কর্মচারী সমন্বয় সমিতির বক্তব্য, বর্তমানে এই কোর্সের ছাত্রছাত্রীরা নানান ধরনের সমস্যার সন্মুখীন। যেমন, তাদের অনলাইনে টিসি বা স্কুল লিভিং সার্টিফিকেট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এবছর সকলে ট্যাবের টাকাও পায়নি। সংগঠনের রাজ্য কমিটির সভাপতি অতীশ সেন বলেন, ‘শিক্ষক ও প্রশিক্ষকদের বেতন ৮-১৩ হাজার টাকার মধ্যে। স্বল্প বেতনেও ভোকেশনাল শিক্ষাকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছাত্রছাত্রীদের আলাদা করে আইডি নম্বর নেই। ফলে সরকারি নানান প্রকল্পের সূযোগসুবিধা পেতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে পড়ুয়াদের। মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ হলেও উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তির নির্দেশিকা আসেনি। কর্তৃপক্ষের উচিত পুরো ব্যবস্থার খোলনলচে বদলে নতুনভাবে এই শিক্ষাকে ছাত্রছাত্রীদের সামনে হাজির করা।’ আরেকটি সংগঠন ভোকেশনাল টিচার্স, ইনস্ট্রাক্টর্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির প্রধান উপদেষ্টা মনোজ চক্রবর্তী বলেন, ‘ভোকেশনাল শিক্ষায় প্রশাসনিক উদাসীনতা এবং নির্লিপ্ততা রয়েছে। উচ্চমাধ্যমিকের সাধারণ বিভাগের মতোই একসঙ্গে ফল প্রকাশ ও মার্কশিট দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে। ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে এই কোর্সকে জনপ্রিয় করার দায়িত্ব সংসদেরও।’

জানা গিয়েছে এবছর গোটা রাজ্যে উচ্চমাধ্যমিকের ভোকেশনালে পরীক্ষা দিয়েছিল ২৭ হাজার ১৩৯ জন। তার মধ্যে পাশ করেছে ২২ হাজার ৫৯৭ জন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *