How a one‑eyed creature gave rise to our fashionable eyes

How a one‑eyed creature gave rise to our fashionable eyes

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সাইক্লপস। হোমারের ওডিসির সেই একচোখো দানব। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দাবি করেছেন, সমস্ত মেরুদণ্ডী প্রাণীই এসেছেন এক দূরবর্তী পূর্বজ থেকে। সেই পূর্বজেরও একটিই চোখ। ‘কারেন্ট বায়োলজি’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে জানানো হয়েছে, সেই আদ্যপ্রাণীর কথা। অর্থাৎ আজ মানুষের চোখের উদ্ভবেরও নেপথ্যে ওই বিশেষ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া। যারা এই পৃথিবীতে ছিল ৬০ কোটি বছর আগে।

লুন্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমেরিটাস ড্যান-ই নিলসন মন্তব্য করেছেন, ”গবেষণার ফলাফল সত্যিই চমকপ্রদ। আমাদের চোখ ও মস্তিষ্কের বিবর্তন সম্পর্কে আমাদের ধারণাকেই যেন আমূল বদলে গিয়েছে।” তিনি জানাচ্ছেন, ওই আদ্যপ্রাণীর বাস ছিল সমুদ্রের গভীরে। প্রাগৈতিহাসিক পৃথিবীর বাসিন্দা ওই ব্যাকটেরিয়ার যে একটিমাত্র চোখ, তাও আধুনিক মানুষের চোখের ধাঁচের নয়। প্রথমে তাদের চোখ আসলে ছিল আলো শনাক্তকারী অঙ্গ। সেই অঙ্গই ক্রমে পরিণত হয় চোখে! সেই চোখেরও ক্ষমতা কেবল আলো প্রতিফলন করা।

আরও পড়ুন:

বহু বছর পরে যখন আদিম মানুষ আসে তাদের দুই চোখ কিন্তু আসলে ওই ব্যাকটেরিয়া থেকেই জিনে মিশে শরীরে সৃষ্টি হয়েছিল। গবেষণা অনুসারে, ওই প্রাণীদের চোখের কিছু অংশ থেকে অবশেষে দুটি নতুন চোখ পুনর্বিকশিত হয়। এই বিবর্তন থেকে ব্যাখ্যা করা যায়, কেন মানুষের চোখ-সহ মেরুদণ্ডী প্রাণীর চোখ পোকামাকড় বা স্কুইডের চোখ থেকে মূলগত ভাবে আলাদা। গবেষণায় স্পষ্ট হয়েছে, মেরুদণ্ডী প্রাণীর চোখ একটি স্বতন্ত্র বিবর্তনের চক্র থেকে আবর্তিত। আমাদের পূর্বপুরুষেরা যদি আদ্যপ্রাণীদের এক চোখের পর্যায় অতিক্রম না করতেন, তাহলে আজ আমাদের চোখের গঠন এবং কার্যকারিতা সম্পূর্ণ ভিন্ন হতে পারত। বদলে যেত মানুষের গতিপ্রকৃতিও। অর্থাৎ ৬০ কোটি বছর আগের একচোখো ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণ করে দিয়েছিল বহু যুগ পরে মানুষ নামে প্রাণীটির দৃষ্টিশক্তি কেমন হবে।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *