Helicopter Crash | মাঝআকাশে যান্ত্রিক ত্রুটি! আন্দামানের সমুদ্রে আছড়ে পড়ল কপ্টার, বরাতজোরে রক্ষা যাত্রীদের

Helicopter Crash | মাঝআকাশে যান্ত্রিক ত্রুটি! আন্দামানের সমুদ্রে আছড়ে পড়ল কপ্টার, বরাতজোরে রক্ষা যাত্রীদের

ব্লগ/BLOG
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: মঙ্গলবার সকালে বড়সড়ো দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন ৭ জন কপ্টার যাত্রী। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের (Andaman) পোর্ট ব্লেয়ার (শ্রী বিজয় পুরম) থেকে মায়াবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়া পবন হংস (Pawan Hans) সংস্থার একটি কপ্টার যান্ত্রিক গোলযোগের জেরে মাঝসমুদ্রে আছড়ে পড়ে (Helicopter Crash)। তবে বরাতজোরে এবং উদ্ধারকারী দলের তৎপরতায় দুই ক্রু সদস্য ও এক শিশু সহ মোট সাতজনকেই জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে পোর্ট ব্লেয়ার থেকে উত্তর ও মধ্য আন্দামান জেলার মায়াবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল ওই হেলিকপ্টারটি। কিন্তু গন্তব্যে পৌঁছানোর ঠিক আগেই, সকাল ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ কপ্টারটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অভিজ্ঞ পাইলট কপ্টারটিকে স্থলভাগের পরিবর্তে সমুদ্রের জলেই ‘ক্র্যাশ ল্যান্ড’ করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

এদিকে, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই শুরু হয় দ্রুত উদ্ধার অভিযান। উত্তাল সমুদ্রের মাঝখান থেকে ৫ জন যাত্রী এবং ২ জন ক্রু সদস্যকে নিরাপদে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্ধারকারী দল। যাত্রীদের মধ্যে একটি শিশুও ছিল। উদ্ধারের পর সকলকেই দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সকলেই সুস্থ আছেন এবং কারোর শরীরেই গুরুতর আঘাতের চিহ্ন নেই। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

পবন হংসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “সকাল ৯টা ৩০ মিনিট নাগাদ আমাদের একটি হেলিকপ্টার মায়াবন্দরের কাছে ‘শর্ট ল্যান্ডিং’ করতে বাধ্য হয়। যাত্রীরা সকলেই নিরাপদ আছেন।” প্রাথমিক তদন্তে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের আধিকারিকরা মনে করছেন, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণেই এই দুর্ঘটনা। তবে ঠিক কী ধরনের ত্রুটি ছিল, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।

আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের মতো দুর্গম এলাকায় পবন হংসের হেলিকপ্টার পরিষেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যোগাযোগ ব্যবস্থা সীমিত হওয়ায় এই কপ্টারগুলিই দ্বীপবাসীদের যাতায়াত ও আপৎকালীন চিকিৎসার প্রধান ভরসা। এদিনের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ফের একবার কপ্টারগুলির রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেও, চালকের বুদ্ধিমত্তায় সাতটি প্রাণ বেঁচে ফেরায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে প্রশাসন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *