শুভদীপ শর্মা, লাটাগুড়ি: এ বছর হোলির (Holi 2026) সময়েও পর্যটকদের জন্য জঙ্গল খোলা থাকতে পারে বলে বন দপ্তর (Forest Division) সূত্রে খবর। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি। বন ও বন্যপ্রাণের নিরাপত্তা বজায় রেখে পর্যটকদের প্রবেশের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। এতদিন হোলির সময়ে দু’দিন গরুমারা (Gorumara) জাতীয় উদ্যান বন্ধ থাকত। তবে সাধারণত খোলা থাকত জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান। এই পৃথক নিয়ম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জানিয়ে আসছিলেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের প্রশ্ন ছিল, উত্তরবঙ্গের দুটি জাতীয় উদ্যানে একই সময়ে আলাদা নিয়ম কেন থাকবে?
স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের দাবি, হোলির সময় স্কুল-কলেজে ছুটি থাকায় পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। সে সময় জঙ্গল বন্ধ থাকলে ডুয়ার্স, বিশেষ করে লাটাগুড়ি, মূর্তি ও আশপাশের এলাকায় পর্যটকের সংখ্যা কমে যায়। ফলে হোটেল-রিসর্ট ব্যবসায়ীদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। চলতি বছরেও হোলি ঘিরে ভালো বুকিং রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাই জঙ্গল খোলা রাখার দাবিতে আবার বন দপ্তরের দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
লাটাগুড়ি রিসর্ট ওনার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন-এর সম্পাদক দিব্যেন্দু দেব বলেন, আগেও একাধিকবার হোলির দু’দিন গরুমারায় জঙ্গল খোলা রাখার আবেদন করা হয়েছিল। জলদাপাড়া খোলা থাকলেও গরুমারা বন্ধ থাকার কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়।
এ বিষয়ে গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের এডিএফও রাজীব দে বলেন, ‘এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে হোলির সময় জঙ্গল খোলা রাখার বিষয়টি ভাবনাচিন্তা চলছে। দ্রুত এ বিষয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’
