Goa Nightclub Hearth | নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের পরই থাইল্যান্ডে পালিয়েছেন ২ মালিক! তদন্তে উঠে এল নয়া তথ্য

Goa Nightclub Hearth | নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের পরই থাইল্যান্ডে পালিয়েছেন ২ মালিক! তদন্তে উঠে এল নয়া তথ্য

ব্যবসা-বাণিজ্যের /BUSINESS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: গোয়ার নাইটক্লাবে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের (Goa Nightclub Hearth) ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন। এই ঘটনার পর থেকেই খোঁজ মিলছিল না ‘বার্চ বাই রোমিও লেন’ নাইটক্লাবের দুই মালিক গৌরব ও সৌরভ লুথরার (Gaurav and Saurabh Luthra)। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। তবে তদন্তের পর জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে দেশেই নেই তাঁরা। সেদিনের দুর্ঘটনার পাঁচ ঘণ্টা পরই দিল্লি থেকে বিমানে চেপে থাইল্যান্ডের ফুকেটে (Phuket) পালিয়ে গিয়েছেন নাইটক্লাবের দুই মালিক।

পুলিশ সূত্রে খবর, অগ্নিকাণ্ডের পরই গৌরব ও সৌরভের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছিল গোয়া পুলিশ (Goa police)। আর এরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে তাঁদের খোঁজে দিল্লির বাড়িতে পুলিশের একটি দল পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের হদিস মেলেনি। এরপরই আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা অনুসারে তাঁদের বাড়িতে একটি নোটিশ সাঁটিয়ে দেওয়া হয়। জারি করা হয় লুকআউট নোটিশও। কিন্তু মুম্বইয়ের ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরই আসল বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। জানা যায়, রবিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ দুই মালিকই বিমানে করে ফুকেটে পালিয়েছেন। দুই অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য গোয়া পুলিশ ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের ইন্টারপোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

এদিকে, তদন্তে উঠে এসেছে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। গোয়ায় আরও একটি নাইটক্লাব চালাতেন অভিযুক্ত দুই গৌরব ও সৌরভ। সেই ক্লাবটিতেও পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না বলে অভিযোগ। এমনকি অন্যান্য সুরক্ষা বিধিও লঙ্ঘন করা হয়েছিল। ওই নাইটক্লাবটি একটি সরকারি জমিতে বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এনিয়ে প্রশাসনকে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

উল্লেখ্য, শনিবার রাতে উত্তর গোয়ার আরপোরায় অবস্থিত নাইটক্লাবটিতে পার্টি চলাকালীন আচমকাই ডান্স ফ্লোরের ছাদে প্রথম আগুন লাগে। সেই মুহূর্তের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের গ্রাসে চলে আসে নাইটক্লাবটি। অনেকেই পালাতে গিয়ে বেসমেন্টের রান্নাঘরে আটকে পড়েন। ধোঁয়ার জেরে দমবন্ধ হয়েই বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সিলিন্ডার বিস্ফোরণের জেরে এই অগ্নিকাণ্ড। কিন্তু এখন শোনা যাচ্ছে, ক্লাবের ভেতরে আতশবাজি ব্যবহার করে হয়েছিল। সেই থেকেই এই দুর্ঘটনা। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নাইটক্লাবটির একাধিক অব্যবস্থা সামনে এসেছে। অন্যদিকে, সোমবারই ‘অজ্ঞাতবাস’ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে নাইটক্লাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন পলাতক মালিক সৌরভ লুথরা। ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকম সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই ওই ক্লাবটির জেনারেল ম্যানেজার সহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গোটা ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন গোয়ার মুখ্যমন্ত্রী প্রমোদ সাওয়ান্ত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *