Gautam Gambhir | দুটি আইসিসি ট্রফি জিতলেও স্বস্তিতে নেই গম্ভীর? ড্রেসিংরুমের ‘অশান্তি’ নিয়ে সোজাসাপ্টা জবাব টিম ইন্ডিয়ার কোচের

Gautam Gambhir | দুটি আইসিসি ট্রফি জিতলেও স্বস্তিতে নেই গম্ভীর? ড্রেসিংরুমের ‘অশান্তি’ নিয়ে সোজাসাপ্টা জবাব টিম ইন্ডিয়ার কোচের

খেলাধুলা/SPORTS
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্কঃ ভারতীয় ক্রিকেটে কোচ হিসেবে গৌতম গম্ভীর (Gautam Gambhir) এখন এমন এক উচ্চতায় পৌঁছেছেন, যেখানে এর আগে আর কোনো ভারতীয় কোচ পা রাখতে পারেননি। ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি এবং ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—টানা দুটি আইসিসি খেতাব তাঁর ঝুলিতে। কিন্তু এই আকাশচুম্বী সাফল্যের পাশাপাশি তাঁর কোচিং জমানায় বিতর্কের ছায়াও কম নয়। সম্প্রতি ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়ে ওঠা গুঞ্জনের মুখে দাঁড়িয়ে এবার ‘স্ট্রেট ব্যাটে’ খেললেন গম্ভীর।

সাফল্য ও ব্যর্থতার মিশেলে গম্ভীরের সফর
২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর দায়িত্ব নেওয়া গম্ভীরের কোচিংয়ে ভারত বিশ্বসেরা হলেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজে পারফরম্যান্স ছিল উদ্বেগজনক। এই সময়ে ভারত নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে হেরেছে। এমনকি শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজেও পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছে ভারতকে। এর মাঝেই অভিজ্ঞ কিছু ক্রিকেটারের অবসর এবং দলের অন্দরমহলের পরিবেশ নিয়ে কানাঘুষো শুরু হয়।

“অধিকাংশ ক্রিকেটার খুশি না থাকলে আমি থাকব না”
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের ঠিক পরদিন এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গম্ভীর তাঁর দর্শনের কথা পরিষ্কার করেন। ড্রেসিংরুমের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমার দর্শন খুবই সহজ—যদি দলের অধিকাংশ সদস্য আমার ওপর খুশি না থাকেন, তবে আমার এই ড্রেসিংরুমে থাকার কোনো মানে হয় না। যদি অধিকাংশ খুশি থাকেন, তবেই আমি বুঝব আমি ঠিক কাজ করছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “টিম ইন্ডিয়ার পরিবেশ কারও কাছে গোপন থাকা সম্ভব নয়। কারণ এখানে সব সময় মিডিয়ার কড়া নজরদারি থাকে। যারা দলের পরিবেশ নিয়ে বাজে কথা বলছেন, তারা যদি আমাদের অনুশীলন বা সফরগুলো ঘনিষ্ঠভাবে লক্ষ্য করেন, তবেই আসল সত্যিটা জানতে পারবেন।”

নির্বাচন প্রক্রিয়া: আশা নয়, ভরসার জয়
দলে খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে গম্ভীরের নীতি একদম স্পষ্ট। বিতর্কিত দল নির্বাচন বা অভিষেক শর্মার মতো তরুণদের সুযোগ দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি খেলোয়াড়দের বেছে নিই বিশ্বাস আর ভরসার ভিত্তিতে, কোনো অলীক আশার ওপর নয়। যদি কাউকে বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে সুযোগ দেওয়া হয়, তবে ৪-৫টি ম্যাচ খারাপ গেলেই সেই বিশ্বাস তুলে নেওয়া যায় না।” গম্ভীরের মতে, দলের ১৫ জন সদস্যের ওপরই তাঁর অগাধ আস্থা রয়েছে এবং তাঁরা দেশের স্বার্থকে নিজেদের আগে প্রাধান্য দিতে জানেন।

রেকর্ডের পাতায় গম্ভীর
আইসিসি ফাইনালে অপরাজেয় থাকার রেকর্ড বজায় রেখেছেন তিনি। কোচ হিসেবে চ্যালেঞ্জিং কন্ডিশনে দলকে ট্রফি জেতালেও টেস্ট এবং ওয়ানডে সিরিজের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। তবে তাঁর ‘বোল্ড’ সিদ্ধান্ত এবং কৌশলী মানসিকতা যে দলকে বদলে দিচ্ছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *