G RAM G Invoice to interchange MGNREGA handed in Lok Sabha

G RAM G Invoice to interchange MGNREGA handed in Lok Sabha

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মধ্যরাত পর্যন্ত বিতর্ক। ৯৮ জন সাংসদের ভাষণ। বিরোধীদের প্রবল আপত্তি। সংসদের বাইরে বিক্ষোভ। সবকিছু উপেক্ষা করে লোকসভায় সংখ্যাবলে প্রস্তাবিত ‘জি রাম জি’ বিল পাশ করিয়ে নিল মোদি সরকার। অর্থাৎ ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পকে ‘গান্ধীহীন’ করার পথে আরও একধাপ এগোল মোদি সরকার।

কেন্দ্রের প্রস্তাবিত জি রাম জি বিল নিয়ে বুধবার আলোচনা শুরু হয় সংসদে। দেখতে দেখতে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যায়। পেরিয়ে যায় সংসদ অধিবেশন বন্ধের সময়ও। বিতর্ক থামেনি। শাসক ও বিরোধী মিলিয়ে মোট ৯৮ জন এই বিল নিয়ে নিজেদের বক্তব্য রেখেছেন। বিতর্ক চলে মধ্যরাত পেরিয়ে। রাত ১টা ৩৫ মিনিটে অধিবেশন মূলতুবি ঘোষণা করেন স্পিকার ওম বিড়লা। বৃহস্পতিবার এই বিল নিয়ে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বিরোধীদের প্রশ্নের জবাব দিতে উঠতেই বিক্ষোভ শুরু করে বিরোধী শিবির। স্লোগান দেওয়া হয় সরকারের বিরুদ্ধে। ছেঁড়া হয় বিলের কাগজও। তবে সেসব উপেক্ষা করেই সংখ্যাধিক্যের জেরেই পাশ হয়ে যায় বিলটি।

এর আগে সংসদের বাইরেও ১০০ দিনের কাজ প্রকল্প থেকে গান্ধীর নাম সরানো নিয়ে বিক্ষোভ দেখায় বিরোধী শিবির। ব্যানার, পোস্টার হাতে সংসদ চত্বরে মিছিল করেন ইন্ডিয়া ব্লকের শীর্ষ নেতারা। কংগ্রেসের তরফে সোনিয়া গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গেরা মিছিলে ছিলেন। তৃণমূলেরও একাধিক সাংসদ মিছিলে ছিলেন। বিরোধীদের বক্তব্য ছিল, বিলের নাম থেকে গান্ধীকে সরানো যাবে না। বিলটিকে পাঠাতে হবে সিলেক্ট কমিটিতে। কিন্তু তাতে আমল দেয়নি সরকার পক্ষ। এদিন শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, এই প্রকল্পের নামে গান্ধীজি আগেও ছিলেন না। আইনটির নাম ছিল ‘ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট অ্যাক্ট’। পরে ২০০৯ লোকসভা নির্বাচনের কথা ভেবে গান্ধীজির নাম এর সঙ্গে জোড়া হয়।’

মঙ্গলবার ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম বদলে বিল পেশ করেন শিবরাজ চৌহান। মনরেগা বা MGNREGA (Mahatma Gandhi Nationwide Rural Employment Assure Act)-এর নাম পরিবর্তন করে বিকশিত ভারত গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বা VB-G RAM-G (সংক্ষেপে জি রাম জি) করার প্রস্তাব দেওয়া হয় ওই বিলে। প্রস্তাবিত বিলে ১০০ দিনের কাজের পরিমাণ ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ ৯০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬০ শতাংশ করা হচ্ছে। এর ফলে রাজ্যগুলির উপর চাপ বাড়ছে। তাছাড়া আগে রাজ্যের চাহিদা অনুযায়ী, এই প্রকল্পে বরাদ্দ করা হত। এবার থেকে কেন্দ্র ঠিক করবে কোন রাজ্যে কত বরাদ্দ করা হবে। ফলে সাধারণ শ্রমিকরা ১০০ দিনের কাজ পাবেনই, তেমন কোনও নিশ্চয়তা থাকছে না। আগে এই বিলে কাজের নিশ্চয়তা ছিল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ







Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *