Former Odisha MP stop BJP and be part of BJP day earlier than court docket listening to

Former Odisha MP stop BJP and be part of BJP day earlier than court docket listening to

জীবনযাপন/LIFE STYLE
Spread the love


দুর্নীতি মামলায় সিবিআই যাঁতাকলে পড়েছিলেন। রাত পোহালেই ছিল মামলার শুনানি। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই বিজেপিতে যোগ দিলেন ওড়িশার প্রাক্তন বিজু জনতা দলের সাংসদ রবীন্দ্রকুমার জেনা। এই ঘটনা সামনে আসতেই সরব হয়েছে বিরোধী শিবির। অভিযোগ উঠছে, মামলা থেকে বাঁচতেই দলবদল করেছেন রবীন্দ্রকুমার। বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের ‘ওয়াশিং মেশিন’ তত্ত্ব ফের সামনে উঠে আসছে এই ঘটনায়।

Seashore চিটফান্ড মামলায় অভিযুক্ত রবীন্দ্র। দীর্ঘদিন ধরে এই মামলায় টানা-হ্যাচড়া চলছিল তাঁকে নিয়ে। সিবিআইয়ের তরফে মামলায় যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল সেখানেও ছিল প্রাক্তন এই সাংসদের নাম। এই অবস্থায় শোনা যাচ্ছিল মামলা থেকে বাঁচতে হয়ত বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার আদালতে ছিল এই চিটফান্ড মামলার শুনানি। তার আগে বুধবার যাবতীয় জল্পনা সত্যি করে অনুগামীদের সঙ্গে নিয়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেন এই নেতা।

আরও পড়ুন:

তৃণমূলের তোপ, ‘বিজেপি হল ওয়াশিং মেশিন। দেশের রাজনীতির সবচেয়ে কার্যকরী যন্ত্র। যেখানে কোনও দাগই জেদি নয়। দাগের চিহ্ন থাকবে না। এখানে কোনও দুর্নীতিই বড় নয়। সাবানেরও প্রয়োজন নেই। ফল মিলবেই। শুধু দলে যোগ দিতে হবে।’

ওড়িশার বিরোধী দলের নেতার হঠাৎ দলবদলে বিজেপির ‘ওয়াশিং মেশিন’ তত্ত্বকে সামনে এনে সরব হয়েছে বাংলার শাসকদল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘটনা তুলে ধরে তৃণমূল লিখেছে, ‘বালাসোরের প্রাক্তন সাংসদ তথা বিজু জনতা দলের নেতা রবীন্দ্র কুমার জেনা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। জানেন কেন তিনি দল বদলেছেন? কারণ পরদিন Seashore চিটফান্ড মামলায় সিবিআইয়ের সামনে হাজির হওয়ার কথা ছিল তাঁর। পরের ঘটনা সহজেই অনুমেয়। এবার সিবিআইয়ের ক্যালেন্ডারে আর তারিখ পাওয়া যাবে না। গুরুত্ব হারাবে মামলা। একটা সময়ের পর সব অভিযোগ হাওয়া হয়ে যাবে। বিজেপি হল ওয়াশিং মেশিন। দেশের রাজনীতির সবচেয়ে কার্যকরী যন্ত্র। যেখানে কোনও দাগই জেদি নয়। দাগের চিহ্ন থাকবে না। এখানে কোনও দুর্নীতিই বড় নয়। সাবানেরও প্রয়োজন নেই। ফল মিলবেই। শুধু দলে যোগ দিতে হবে।’

এদিকে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর বাকিদের মতোই চেনা বুলি আওড়েছেন রবীন্দ্র। তিনি বলেন, ‘বিজেপিই একমাত্র দল যারা ওড়িশা ও ভারতের উন্নয়ন করতে পারে।’ উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বিজেডির টিকিটে প্রথমবার সাংসদ হয়েছিলেন রবীন্দ্র। ২০১৯ সালে অবশ্য বিজেপির কাছে ভোটে হারেন তিনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তাঁকে আর টিকিট দেয়নি দল। যদিও তাঁর স্ত্রী সুভাষিণী জেনা এখনও বিজেডির বিধায়ক।

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *