Flexitarian weight loss program | উপোস নয়, মাছ-মাংস খেয়েই কমান মেদ! নজর কাড়ছে ‘ফ্লেক্সিটেরিয়ান ডায়েট’

Flexitarian weight loss program | উপোস নয়, মাছ-মাংস খেয়েই কমান মেদ! নজর কাড়ছে ‘ফ্লেক্সিটেরিয়ান ডায়েট’

শিক্ষা
Spread the love


উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক: ওজন কমানোর কথা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে আধপেটা খেয়ে থাকা বা পছন্দের মাছ-মাংস বর্জন করার ছবি। কিন্তু পুষ্টিবিজ্ঞানের নতুন ধারণা বলছে, শরীরকে কষ্ট না দিয়েও দিব্যি ঝরানো যায় মেদ। ২০০৯ সালে আমেরিকান পুষ্টিবিদ ডন জ্যাকসন ব্লাটনারের হাত ধরে আসা ‘ফ্লেক্সিটেরিয়ান ডায়েট’ এখন স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে তুরুপের তাস।

পুষ্টিবিদ শম্পা চক্রবর্তীর মতে, এটি মূলত নিরামিষ এবং আমিষের এক চমৎকার সমন্বয়। এখানে কোনো খাবারই তালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। মাছ, মাংস, ডিম থেকে শুরু করে ঘি-মাখন সবই খাওয়া যাবে সুষম পরিমাণে। ভাত বা রুটির মতো কার্বোহাইড্রেটও পুরোপুরি বর্জন করতে হয় না, শুধু পরিমাণের দিকে নজর রাখলেই চলে।

কী খাবেন, কী ছাড়বেন?

  • পাতে যা থাকবে: উদ্ভিজ্জ প্রোটিন হিসেবে ডাল, সয়াবিন, পনির বা টোফু। সঙ্গে প্রচুর মরসুমি ফল ও সবজি। ফাইবারের জন্য ওট্‌স, ডালিয়া বা ব্রাউন রাইস। স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের উৎস হিসেবে আখরোট, চিয়া বীজ বা অলিভ অয়েল রাখা জরুরি। এমনকি মাঝেমধ্যে অল্প রেড মিটেও মানা নেই।

  • বর্জনীয়: প্রক্রিয়াজাত মাংস, প্যাকেটজাত ফলের রস, অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এবং জাঙ্ক ফুড পুরোপুরি এড়িয়ে চলতে হবে। ময়দা এবং চিনির ব্যবহার যত কমানো যায়, ততই মঙ্গল।

উপকারিতা: এই ডায়েট কেবল ওজন কমায় না, বরং হজমশক্তি বাড়াতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। হৃদরোগ, ডায়াবিটিস বা কিডনির সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরাও চিকিৎসকের পরামর্শে এই সুষম আহার মেনে চলতে পারেন। যেহেতু এতে সব ধরনের পুষ্টি উপাদান থাকে, তাই শরীরে কোনো দুর্বলতা আসে না এবং মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো থাকে। ধীরে ধীরে শরীরের ভারসাম্য বজায় রেখে ওজন কমানোর জন্য ‘ফ্লেক্সিটেরিয়ান’ পদ্ধতি এখন সবথেকে বিজ্ঞানসম্মত পথ।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *