ইডেনের ‘কোয়ার্টারে’ টক্কর হবে আগুনে আগুনে। ম্যাচের আগেই হুঙ্কার দিয়েছিলেন টিম ইন্ডিয়ার সহকারী কোচ। ‘ম্যাচ অফ ডেথে’ নামার আগে দলকে উজ্জীবিত রাখতে হয়তো এটা একটা কৌশল। তবে খেলায় যে ‘কাঁটো কা টক্কর’ হতে চলেছে, সেটা ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংস দেখে বোঝা গেল। প্রথমে ব্যাটিং করে শাই হোপ, শিমরন হেটমায়াররা তুললেন ৪ উইকেটে ১৯৫ রান।
এই বিষয়ে আরও খবর
দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সুপার এইটের একটা হারে পাহাড়প্রমাণ চাপে পড়ে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারতও হারিয়েছে জিম্বাবোয়েকে। তাই সেমির সমীকরণ সহজ হয়েছে ভারতের সামনে। ইডেনের ‘কোয়ার্টার’-যুদ্ধে যে দল জিতবে, তারা যাবে সেমিফাইনালে। অন্য দল বিদায় নেবে। এমন একটা ম্যাচে টসভাগ্য সহায় হল সূর্যকুমার যাদবের। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠালেন ভারত অধিনায়ক।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই ওপেনার দেখেশুনে শুরু করেন। জশপ্রীত অর্শদীপ সিংয়ের প্রথম ওভারে ওঠে মাত্র ৩ রান। কয়েক ওভারের মধ্যেই খারাপ ফিল্ডিংয়ের নিদর্শন রাখেন বরুণ চক্রবর্তী। দুই ক্যারিবীয় ওপেনার হোপ এবং রস্টন চেজ একই দিকে চলে এসেছিলেন। ভারতীয় স্পিনার না দেখেই বল ছুড়ে দিলেন উইকেটকিপারের হাতে। তাঁকে থ্রো করতে হত বোলিং এন্ডে। ফলে রান আউটের সহজ সুযোগ নষ্ট হল। কেবল রান আউট নয়, পঞ্চম ওভারে বুমরাহর বলে চেজের লোপ্পা ক্যাচ মিস করলেন অভিষেক শর্মা। পাওয়ার প্লেতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তুলল ৪৫ রান।


টিম ইন্ডিয়াকে ব্রেক থ্রু এনে দিলেন বরুণ। হোপকে (৩২) বোল্ড করলেন। এরপর হেটমায়ারকে সঙ্গে নিয়ে ৩৪ রানের জুটি গড়েন চেজ। এই সময়টায় বিশেষত হেটমায়ারকেই বিধ্বংসী দেখাচ্ছিল। তবে আরও বিপজ্জনক হওয়ার আগে বুমরাহের বলে সাজঘরের পথ দেখেন তিনি। আবারও ধাক্কা দিলেন ভারতীয় বোলিংয়ের ‘ফিগারহেড’। এবার ফিরলেন চেজ। সাত তাড়াতাড়ি ফিরলেন শেরফেন রাদারফোর্ডও (১৪)। তাঁকে আউট করলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ১৪.১ ওভারে ৪ উইকেটে ১১৯।
এরপরেই পালটা আক্রমণ শুরু করেন রভম্যান পাওয়েল এবং জেসন হোল্ডার। এর মধ্যে অবশ্য আবারও ক্যাচ ফেললেন অভিষেক। বেঁচে গেলেন পাওয়েল। দৌড়ে এসে নাগালে থাকা বল ধরতে পারলেন না। শেষ পর্যন্ত আর কোনও উইকেট পড়ল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। পাওয়েল অপরাজিত থাকলেন ১৯ বলে ৩৪ রানে। হোল্ডার ২২ বলে করলেন ৩৭। টিম ইন্ডিয়ার সামনে ১৯৬ রানের বড় লক্ষ্য রাখল ক্যারিবিয়ান দল। ভারতের হয়ে বুমরাহ নেন ৩৬ রানে ২ উইকেট। পাণ্ডিয়া ও বরুণ চক্রবর্তী ১টি করে উইকেট নেন।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
