উত্তরবঙ্গ সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক : লিফট দেওয়ার নামে ২৫ বছরের এক তরুণীকে গাড়িতে তুলে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল দুই তরুণের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের পর তরুণীকে গাড়ি থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলা হয়। এতে তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লেগেছে। দুই অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তরুণী বিবাহিত। শ্বশুরবাড়িতে ঝামেলার কারণে কয়েক দিন ধরে তিনি বাপেরবাড়িতে থাকছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় ওই তরুণী সেক্টর ২৩ এলাকায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিলেন। ফিরতে রাত হয়ে গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার জন্য গাড়ি ধরবেন বলে রাস্তায় দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। সেই সময় গাড়িতে চেপে এসে দুই তরুণ তাঁকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেন। তরুণী সরল মনে গাড়িতে উঠতেই শুরু হয় পাশবিক অত্যাচার। চলন্ত গাড়ির ভেতরে তাঁকে দফায় দফায় ধর্ষণ করা হয়। রাত ৩টে নাগাদ রাজা চকের কাছে তরুণীকে গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলে চম্পট দেন অভিযুক্তরা। নির্যাতিতা কোনওরকমে তাঁর বোনকে ফোন করেন। বোন ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। চলন্ত গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলায় তরুণীর মাথায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।
ফরিদাবাদ পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নেমে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে ফরিদাবাদে কর্মরত। তাঁদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছে। এই ঘটনায় শহরে নারীর নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
